<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	xmlns:georss="http://www.georss.org/georss" xmlns:geo="http://www.w3.org/2003/01/geo/wgs84_pos#" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	>

<channel>
	<title>দুই হাতে লেখা</title>
	<atom:link href="http://nirbaan.wordpress.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://nirbaan.wordpress.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 14 Mar 2010 18:53:05 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.com/</generator>
<cloud domain='nirbaan.wordpress.com' port='80' path='/?rsscloud=notify' registerProcedure='' protocol='http-post' />
<image>
		<url>http://s2.wp.com/i/buttonw-com.png</url>
		<title>দুই হাতে লেখা</title>
		<link>http://nirbaan.wordpress.com</link>
	</image>
	<atom:link rel="search" type="application/opensearchdescription+xml" href="http://nirbaan.wordpress.com/osd.xml" title="দুই হাতে লেখা" />
	<atom:link rel='hub' href='http://nirbaan.wordpress.com/?pushpress=hub'/>
		<item>
		<title>নির্ধর্মকথা- এই সুন্দর ফুল, সুন্দর ফল, মিঠা নদীর পানি (১/৩)</title>
		<link>http://nirbaan.wordpress.com/2010/03/15/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a7%81/</link>
		<comments>http://nirbaan.wordpress.com/2010/03/15/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a7%81/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 14 Mar 2010 18:53:05 +0000</pubDate>
		<dc:creator>raihan abir</dc:creator>
				<category><![CDATA[ধর্ম ও বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[বিবর্তন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://nirbaan.wordpress.com/2010/03/15/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a7%81/</guid>
		<description><![CDATA[প্যালের ঘড়ি এই সুন্দর ফুল, সুন্দর ফল কিংবা মিঠা নদীর পানিতে নাম জানা হরেক রকমের মাছ- সবকিছু কী নিখুঁত চমৎকারিত্বপূর্ণ। এতো সুন্দর, এতো জটিল প্রাণীজগতের দিকে তাকালে বোঝা যায় এগুলো এমনি এমনি আসেনি- এদের এভাবেই তৈরী করা হয়েছে। ঈশ্বরের অস্তিত্বের সপক্ষে সন্দেহাতিতভাবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত যুক্তি এটাই। বিভিন্ন ভাষায়, বিভিন্ন ভাবে বর্ণনা করা হলেও যুক্তির [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=33&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong>প্যালের ঘড়ি</strong></p>
<p>এই সুন্দর ফুল, সুন্দর ফল কিংবা মিঠা নদীর পানিতে নাম জানা হরেক রকমের মাছ- সবকিছু কী নিখুঁত চমৎকারিত্বপূর্ণ। এতো সুন্দর, এতো জটিল প্রাণীজগতের দিকে তাকালে বোঝা যায় এগুলো এমনি এমনি আসেনি- এদের এভাবেই তৈরী করা হয়েছে। ঈশ্বরের অস্তিত্বের সপক্ষে সন্দেহাতিতভাবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত যুক্তি এটাই। বিভিন্ন ভাষায়, বিভিন্ন ভাবে বর্ণনা করা হলেও যুক্তির মূল কাঠামো একই। সেটা হলোঃ 1</p>
<p>১। কিছু কিছু জিনিস- যেমনঃ জীবনের গঠন বৈচিত্র এতো জটিল (কিংবা এতো নিপুন) যে এটা আকস্মিক দূর্ঘটনার মাধ্যমে এমনটা হয়নি তা বোঝাই যায়।<br />
২। একমাত্র কোনো স্রষ্টার প্রত্যক্ষ কারণেই এমনটা হতে পারে।<br />
৩। সুতরাং ঈশ্বর আছেন। </p>
<p>আরেকটু ভিন্নভাবে বলা যায়ঃ</p>
<p>১। বিশ্বজগৎ বা জীব-বৈচিত্র প্রমান করে, এরকম হবার পেছনে অবশ্যই কোনো কারণ রয়েছে।<br />
২। সুতরাং এই কারণের কারক বা জীব-বৈচিত্র বা বিশ্বসৃষ্টির দিক নির্দেশক হিসেবে অবশ্যই একজন আছেন।<br />
৩। তিনিই ঈশ্বর।</p>
<p>প্রকৃতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে স্রষ্টার অস্তিত্ব খোঁজার দীর্ঘ ইতিহাসের সূচনা গ্রিকদের দ্বারা (2) হলেও সাধারণের মাঝে এতো জনপ্রিয় করার পেছনে সবচেয়ে বেশি অবদান ধর্মবেত্তা ও দার্শনিক উইলিয়াম প্যালের (১৭৪৩-১৮০৫)। প্যালে জ্যোতির্বিজ্ঞান দিয়েই তার চিন্তাভাবনা শুরু করলেও খুব দ্রুত বুঝে উঠেছিলেন, বুদ্ধিদীপ্ত স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমানের জন্য জ্যোতির্বিজ্ঞান উপযুক্ত মাধ্যম নয় (3)। তার কাছে উপযুক্ত মাধ্যম মনে হয়েছিল জীব বিজ্ঞানকে। নিজের ভাবনাকে গুছিয়ে সৃষ্টির পরিকল্প যুক্তি বা&#8217;ডিজাইন আর্গুমেন্ট নিয়ে তিনি ১৮০২ সালে প্রকাশ করেন &#8220;Natural Theology, or Evidence of Existence and Attributes of the Deity, collected from the Appearances of Nature&#8221;(4)। ধর্ম ও দর্শনের এই বিখ্যাত বইয়ে প্যালে রাস্তার ধারে একটি ঘড়ি এবং পাথর পরে থাকার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, এই ব্যাপারে সবাই একমত হবে যে, পাথরটি প্রকৃতির অংশ হলেও ঘড়িটি একটি নির্দিষ্ট কাজ (সময় গণনা) সম্পাদন করার জন্য কারও দ্বারা তৈরী করা হয়েছে। </p>
<p>পূর্ববর্তী অন্যান্য প্রাকৃতিক ধর্মাবেত্তার মতো প্যালেও জীবজগতকে পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে জীবের অভিযোজনের ক্ষমতা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন। প্যালে লক্ষ্য করেছিলেন যে, প্রতিটি জীবদেহে নির্দিষ্ট কাজ করবার জন্য নির্দিষ্ট অংগ-প্রত্যঙ্গ রয়েছে, যা জীবটিকে একটি নির্দিষ্ট পরিবেশে টিকে থাকতে সহায়তা করে। তিনি জটিল জীবদেহকে কিংবা চোখের মত প্রত্যঙ্গকে ঘড়ির কাঠামোর সাথে তুলনা করার মাধ্যমে দেখাতে চেয়েছিলেন স্রষ্টার সুমহান পরিকল্পনা, উদ্দেশ্য আর নিপুণ তুলির আঁচড়।</p>
<p>এই যুক্তির নাম সৃষ্টির পরিকল্প যুক্তি বা ‘ডিজাইন আর্গুমেন্ট&#8217;। দুইশ বছর পেরিয়ে গেলেও এই যুক্তি আজও সকল ধর্মানুরাগীরা নিজ নিজ ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমানে ব্যবহার করে আসছেন। কয়েক সপ্তাহ আগেই ঈশ্বর আছে কী নেই এই আলোচনায় আমার এক বন্ধু আর সহ্য করতে না পেরে উঠে দাঁড়িয়ে সবাইকে একমিনিটের জন্য তার কথা শুনতে অনুরোধ করলো। এক যুক্তিতেই সকল সন্দেহকে কবর খুড়ে দেবার অভিপ্রায়ে সে শুরু করলো- ধর যে, তুই রাস্তা দিয়ে হাঁটছিস, হঠাৎ দেখলি তোর সামনে একটি পাথর আর ঘড়ি পড়ে আছে &#8230;। প্যালের ঘড়ির মৃত্যু নাই।</p>
<p>জীবজগতের জটিলতা নিয়ে অতিচিন্তিত সৃষ্টিবাদীরা জটিলতার ব্যাখ্যা হিসেবে আমদানী করেছেন ঈশ্বরকে। ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন- সুতরাং সবকিছু ব্যাখ্যা হয়ে গেছে বলে হাত ঝেড়ে ফেললেও তাদের তত্ত্ব তৈরী করে যায় আরও মহান এক জটিলতা। তর্কের স্বার্থে যদি ধরেও নেই, সবকিছু আসলেই খুব জটিল এবং এই জটিলতা একজন সৃষ্টি করেছেন তাহলে তো সেই সৃষ্টিকর্তাকে আরও হাজারগুণ জটিল হতে হবে। তিনি কীভাবে সৃষ্টি হলেন?</p>
<p>প্যালের ঘড়ি ছাড়াও লেগো সেটের মাধ্যমে একই যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। ধরা যাক, লেগো সেট দিয়ে তৈরী করা হল একটি গ্রীন লাইন স্ক্যানিয়া মডেলের বাস। একজন দেখেই বুঝবে, বুদ্ধিমান মানুষ লেগো সেটের মাধ্যমে বাসটি তৈরী করেছে। এখন কেউ যদি বাসের লেগোগুলো আলাদা করে একটি বস্তায় ভরে ঝাঁকাতে থাকে তাহলে কী আদৌ কোনোদিন বস্তা থেকে আরেকটি বাস বের হয়ে আসবে? আসবেনা।</p>
<p>উপরোক্ত উদাহরণে সৃষ্টিবাদীরা বাস তৈরীর দুটি প্রক্রিয়ার “ধারণা” দেন আমাদের, একটি বুদ্ধিমান কোনো স্বত্তার হস্তক্ষেপে দ্বারা (যার তৈরী হওয়া নিয়ে সৃষ্টিবাদীরা চিন্তিত নন, যতটা চিন্তিত বাস নিয়ে), আরেকটি বস্তায় ভরে ঝাঁকি দেওয়া। কিন্তু বস্তায় ভরে ঝাঁকি দেবার ধারণার বদলে আমাদের হাতে প্রাণীর জগতের জটিলতা ব্যাখ্যা করার জন্য স্বয়ংসম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব রয়েছে, শত সহস্র পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে যেই তত্ত্বের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে, যেটি সকল প্রাকৃতিক নিয়মের সাথে খাপ খায়। এই তত্ত্বের নাম ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব।</p>
<p><strong>বিবর্তন তত্ত্ব</strong></p>
<p>১৮২৭ সালে চার্লস ডারউইন (মৃত্যুঃ ১৮৮২) যখন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালে প্রবেশ করেন ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে পড়াশোনা করার জন্য তখন তাকে রবাদ্দ করার হয় ৭০ বছর আগে প্যালে যে কক্ষে থাকতেন সেই কক্ষটিই (5) । ধর্মতত্ত্বের সিলেবাসে ততদিনে অর্ন্তভুক্ত হয়ে যাওয়া প্যালির কাজ ডারউইনকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তিনি বলেন, </p>
<blockquote><p>&#8220;ইউক্লিডের রচনা আমাকে যেরকম মুগ্ধ করেছিল ঠিক সেরকম মুগ্ধ করেছিল প্যালের বই&#8221;(6)</p></blockquote>
<p>পরবর্তীতে এই ডারউইনই প্যালের প্রশ্নের বৈজ্ঞানিক জবাব দানের মাধ্যমে এই যুক্তিকে সমাধিস্থ করেন।</p>
<p>প্রাণীজগতে বিবর্তন হচ্ছে এই ব্যাপারটি প্রথম ডারউইন উপলব্ধি করেন নি। তৎকালীন অনেকের মধ্যেই ধারণাটি ছিল, তার মধ্যে ডারউইনের দাদা ইরাজমাস ডারউইন অন্যতম (7)। এপাশ ওপাশে ধারণা থাকলে বিবর্তন কেন ঘটছে এই প্রশ্নে এসেই আটকে গিয়েছিলেন তাদের সবাই। ১৮৫৯ সালে ডারউইন তার বই &#8220;দ্য অরিজিন অফ স্পেসিজ&#8221; প্রকাশ করেন (8)। ৪৯০ পাতার এই বইয়ে ডারউইন উপযুক্ত প্রমান দিয়ে ব্যাখ্যা করেন বিবর্তন কী, বিবর্তন কেন হয়, প্রাণীজগতে বিবর্তনের ভূমিকা কী। এই লেখায় বিবর্তন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার উদ্দেশ্য আমার নেই। কিন্তু সৃষ্টিবাদী বা ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন প্রবক্তাদের ভুল-ত্রুটি ব্যাখ্যা ও তাদের বক্তব্যের অসারতা সর্বোপরি প্রাণীর প্রাণী হবার পেছনে ঈশ্বরের হাতের অনস্তিত্ব প্রমানের আগে  পাঠকদের বিবর্তন তত্ত্বের সাথে সংক্ষিপ্ত প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।</p>
<p>প্রথমেই দেখে নেয়া যাক বিবর্তন কাকে বলে এবং এটি কিভাবে ঘটে।</p>
<p><em>বিবর্তন:</em> বিবর্তন মানে পরিবর্তন। সময়ের সাথে সাথে জীবকূলের মাঝে পরিবর্তন আসে। প্রকৃতির বর্তমান অবস্থা , জীবাশ্মের রেকর্ড , জেনেটিক্স, আনবিক জীববিজ্ঞানের মত বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার গবেষণা থেকে এটি স্পষ্ট বোঝা গেছে। গাছ থেকে আপেল পড়ার মতোই বিবর্তন বাস্তব- এ নিয়ে আর কোনও সন্দেহ নেই।</p>
<p><em>বৈচিত্র্যময় বংশধর সৃষ্টি:</em> সাধারণ একটি পূর্বপুরুষ থেকে অসংখ্য শাখা-প্রশাখা বিস্তারের মাধ্যমে বিবর্তন ঘটে। প্রতিটি শাখা-প্রশাখার জীব তার পূর্বপুরুষ থেকে খানিকটা ভিন্ন হয়। মনে রাখা উচিত বংশধরেরা কখনও হুবহু তাদের পিতামাতার অনুরূপ হয় না, প্রত্যেকের মাঝেই খানিকটা বৈচিত্র্য তথা ভ্যারিয়েশন বা প্রকরণ তৈরি হয়। আর এই বৈচিত্র্যের কারণেই সদা পরিবর্তনশীল পরিবেশে অভিযোজন নামক প্রক্রিয়াটি কাজ করতে পারে। অসংখ্য বৈচিত্র্যের মধ্যে পরিবেশে সবচেয়ে উপযোগীরাই টিকে থাকে। </p>
<p><em>ধীর পরিবর্তন:</em> পরিবর্তন সাধারণত খুব ধীর একটি পক্রিয়া। দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে বিবর্তনের মাধ্যমেই নতুন প্রজাতির জন্ম হতে পারে।</p>
<p><em>প্রজাতির ক্রমবর্ধন (multiplication of speciation):</em> এক প্রজাতি থেকে বিবর্তনের মাধ্যমে অনেক নতুন প্রজাতির উদ্ভব ঘটতে পারে। সে কারণেই আজকে আমরা প্রকৃতিতে এত কোটি কোটি প্রজাতির জীব দেখতে পাই। আবার অন্যদিকে যারা সদা পরিবর্তনশীল পারিপার্শ্বিকতার সাথে টিকে থাকতে অক্ষম তারা বিলুপ্ত হয়ে যায়। প্রকৃতিতে প্রায় ৯০-৯৫% জীবই বিলুপ্ত হয়ে গেছে।</p>
<p><em>প্রাকৃতিক নির্বাচন:</em> চার্লস ডারউইন এবং আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস স্বাধীনভাবে বিবর্তনের যে প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেছিলেন তা এভাবে কাজ করে:</p>
<p>ক) জনসংখ্যা সদা সর্বদা জ্যামিতিক অনুপাতে কেবল বাড়তেই চায়।<br />
খ) কিন্তু একটি প্রাকৃতিক পরিবেশে জনসংখ্যা সমসময় একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হয়।<br />
গ) সুতরাং পরিবেশে একটি &#8220;অস্তিত্বের সংগ্রাম&#8221; থাকতেই হবে। কারণ উৎপাদিত সকল জীবের পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।<br />
ঘ) প্রতিটি প্রজাতিতেই বৈচিত্র্য তথা ভ্যারিয়েশন আছে।<br />
ঙ) অস্তিত্বের নিরন্তর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে চলার সময় যে প্রজাতির গুলোর মাঝে পরিবেশে টিকে থাকার জন্য অধিক উপযোগী বৈশিষ্ট্য আছে তারাই সর্বোচ্চ সংখ্যাক বংশধর রেখে যেতে পারে। আর যাদের মাঝে পরিবেশ উপযোগী বৈশিষ্ট্য কম তাদের বংশধরও কম হয়, আবার এক সময় তারা বিলুপ্তও হয়ে যেতে পারে। বিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই প্রক্রিয়াটিকেই বলা হয় &#8220;প্রভেদক প্রজননগত সাফল্য&#8221; (৯)।</p>
<p>শেষ পয়েন্টটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক নির্বাচন এবং এর মাধ্যমে ঘটা বিবর্তনীয় পরিবর্তন একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে ঘটে। সেই নির্দিষ্ট পরিবেশে কে সবচেয়ে বেশি বংশধর রেখে যাতে পারে তথা কে সবচেয়ে সফলভাবে নিজের জিনকে পরবর্তী প্রজন্মে প্রবাহিত করতে পারে,  তার উপরই বিবর্তনের পক্রিয়া নির্ভর করে।বিবর্তনের কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্য নেই,  প্রজাতির প্রগতি কোনদিকে হবে, বা এর মাধ্যমে আদৌ কোন কৌশলগত লক্ষ্য অর্জিত হবে কিনা এ সম্পর্কে প্রাকৃতিক নির্বাচনের কিছুই বলার নেই। এমনকি বিবর্তনের মাধ্যমে মানুষ সৃষ্টি হতেই হবে বা বুদ্ধিমত্তা নামক কোনকিছুর বিবর্তন ঘটতেই হবে এমন কোন কথাও সে বলে না। বিবর্তনের কোন সিঁড়ি বেয়ে উপরের দিকে উঠে না, বা কোন পিরামিডের চূড়ায় উঠতে চায় না। এমন ভাবার কোনো কারণ নেই যে, মানুষ তৈরির জন্য এতকাল ধরে প্রাকৃতিক নির্বাচন কাজ করেছে। বরং বিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্ট অসংখ্য লক্ষ্যহীন শাখা-প্রশাখারই একটিতে মানুষের অবস্থান। তাই নিজেদের সৃষ্টির সেরা জীব বলে যে পৌরাণিক ধারণা আমাদের ছিল সেটারও কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। কারণ সেরা বলে কিছু নেই, সর্বোচ্চ বলা যেতে পারে, মানুষ সবচেয়ে উন্নত মস্তিষ্কের অধিকারী, যেটা হয়তো টিকে থাকার জন্য আমাদের বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে। আর মানুষের এতো উন্নতির পেছনেও মূল কারণ কিন্তু প্রভেদক প্রজননগত সাফল্য। আমরা অনেক বংশধরের জন্ম দিতে পারি এবং এমনকি তারা পূর্ণবয়স্ক হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তাদের ভরণ পোষণও করতে পারি। এই বৈশিষ্ট্য কিন্তু উল্টো জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে  আবার আমাদের বিলুপ্তও করে দিতে পারে।</p>
<p><strong>বিবর্তন শুধুই একটি তত্ত্ব নয়</strong></p>
<p>বিবর্তনকে উদ্দেশ্য করে সৃষ্টিবাদীদের করা সবচেয়ে প্রচারিত সন্দেহ, বিবর্তন শুধুই একটি তত্ত্ব, এর কোনও বাস্তবতা নেই। সত্যিই কি তাই? বিজ্ঞানীরা বাস্তবে ঘটেনা, এমন কোনও কিছু নিয়ে কখনও তত্ত্ব প্রদান করেন না। বাস্তবতা কাকে বলে? কোন পর্যবেক্ষণ যখন বারংবার বিভিন্নভাবে প্রমানিত হয় তখন তাকে আমরা বাস্তবতা বা সত্য (fact) বলে ধরে নেই।<br />
প্রাণের বিবর্তন ঘটছে। প্রতিটি প্রজাতি স্বতন্ত্রভাবে সৃষ্টি করা হয়নি, বরঞ্চ প্রাণের উদ্ভবের পর থেকে প্রতি নিয়ত পরিবেশের বিভিন্ন প্রভাবের কারণে এক প্রজাতি বিবর্তিত হয়ে অন্য প্রজাতিতে রূপান্তরিত হয়েছে। এইপরা রাতে ঘুমালো, সকালে উঠে দেখলো তারা সবাই হোমোসেপিয়েন্স এ রুপান্তরিত হয়ে গেছে- এমন না, এটি লক্ষ বছরে পরিবেশে টিকে থাকার জন্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিবর্তনের ফসল। প্রজাতি এক রূপ থেকে আরেক রূপে বিবর্তিত হতে পারেনা, এটা এই যুগে এসে মনে করাটা পাপ, যখন দেখা যায়, চৈনিকরা যোগাযোগ খরচ বাচানোর জন্য গোল, গোল তরমুজকে চারকোণা করে ফেলেছে। কবুতর, কুকুরের ব্রিডিং সম্পর্কেও আমরা সবাই অবগত। মাত্র কয়েক প্রজন্মেই এক প্রজাতির কুকুর থেকে আরেক প্রজাতির উদ্ভব হয়, সেখানে পরিবেশ পেয়েছে লক্ষ- কোটি বছর। হোয়াই ইভুলিউশন ইজ ট্রু বইটিতে লেখক জেরি কোয়েন বলেন,<br />
প্রতিদিন, কয়েকশত পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষা বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত হয় &#8230; এবং এদের প্রতিটি বিবর্তনের সত্যতা নিশ্চিত করে। খুঁজে পাওয়া প্রতিটি জীবাশ্ম, সিকোয়েন্সকৃত প্রতিটি ডিএনএ প্রমান করে একটি সাধারণ পূর্বপুরুষ থেকে বিবর্তনের মাধ্যমে প্রতিটি প্রজাতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রাক ক্যাম্বরিয়ান শিলায় আমরা স্তন্যপায়ী কোনও প্রাণীর জীবাশ্ম পাইনি, পাইনি পাললিক শিলার একই স্তরে মানুষ এবং ডাইনোসরের জীবাশ্ম। লক্ষাধিক সম্ভাব্য কারণে বিবর্তন ভুল প্রমানিত হতে পারতো, কিন্তু হয়নি- প্রতিটি পরীক্ষায় সে সাফল্যের সাথে প্রমানিত হয়েছে। </p>
<p>সুতরাং আমাদের পর্যবেক্ষণলব্ধজ্ঞানের মাধ্যমে আমরা জানি বিবর্তন ঘটে এটি একটি বাস্তবতা। এখন পর্যবেক্ষণলব্ধ জ্ঞানকে ব্যাখ্যা করার জন্যই প্রয়োজন হয় বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের। যেমনঃ গাছ থেকে আপেল পড়ে, এটি একটি বাস্তবতা, একে ব্যাখ্যা করা হয় নিউটনের মহার্কষ তত্ত্ব দ্বারা। তত্ত্ব কোনও সাধারণ বাক্য নয়, বাস্তবতার ব্যখ্যা করার জন্য বিজ্ঞানীরা প্রথমে একটি হাইপোথিসিস বা অনুমিত তত্ত্ব দাঁড় করান। পরবর্তীতে এই অনুমিত তত্ত্বকে অন্যান্য বৈজ্ঞানিক সূত্রের মাধ্যমে আঘাত করা হয়। যদি সকল আঘাত থেকে যুক্তিযুক্ত ভাবে একটি অনুমিত তত্ত্ব বেঁচে ফিরতে পারে এবং যখন প্রত্যক্ষ, পরোক্ষ প্রমান একে সমর্থন করে তখন একে একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব উপাধি দেওয়া হয়। বিবর্তনকে যে তত্ত্ব দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়, তার নাম ‘প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব’।</p>
<p>প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব নিয়ে ডারউইন একদিকে যেমন নিঃসংশয় ছিলেন অপরদিকে ছিলেন দ্বিধাগ্রন্থ। কারণ লক্ষ- কোটি প্রজাতির মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট একটি প্রজাতির এই তত্ত্বের বাইরে উদ্ভব হওয়া এই তত্ত্বকে বাতিল করে দিতে যথেষ্ট। দীর্ঘ বিশ বছর বিভিন্ন প্রমাণ সংগ্রহের পর একটি বিশেষ ঘটনার কারণে ডারউইন ১৮৫৮ সালে তত্ত্বটি প্রকাশ করেন (10)। তারপর থেকেই বিবর্তনবাদ বিজ্ঞানীদের ছুরির নীচে। গত দেড়শ বছর ধরে বিভিন্ন ভাবে বিবর্তন তত্ত্বকে পরীক্ষা করা হয়েছে, এটি কখনওই ভুল প্রমানিত হয়নি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, প্রতিটা নতুন ফসিল আবিষ্কার বিবর্তন তত্ত্বের জন্য একটি পরীক্ষা। একটি ফসিলও যদি বিবর্তনের ধারার বাইরে পাওয়া যায় সেই মাত্র তত্ত্বটি ভুল বলে প্রমানিত হবে। একবার বিজ্ঞানী জেবি এস হালডেনকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কিভাবে বিবর্তনকে ভুল প্রমাণ করা যায়? উত্তরে হালডেন বলেছিলেন,(11)</p>
<blockquote><p>কেউ যদি প্রক্যাম্বরিয়ান যুগে খরগোশের ফসিল খুঁজে পায়।</p></blockquote>
<p>বলা বাহুল্য এ ধরনের কোন ফসিলই এ পর্যন্ত আবিস্কৃত হয় নি। না হওয়ারই কথা, কারণ বিজ্ঞানীরা বিবর্তনের যে ধারাটি আমাদের দিয়েছেন তা হল :</p>
<blockquote><p>মাছ –&gt; উভচর –&gt; সরীসৃপ –&gt; স্তন্যপায়ী প্রানী।</p></blockquote>
<p>খরগোশ যেহেতু একটি পুরোপুরি স্তন্যপায়ী প্রাণী, সেহেতু সেটি বিবর্তিত হয়েছে অনেক পরে এবং বিভিন্ন ধাপে (মাছ থেকে উভচর, উভচর থেকে সরিসৃপ এবং সরিসৃপ থেকে শেষ পর্যন্ত খরগোশ), তাই এতে সময় লেগেছে বিস্তর। প্রাক ক্যাম্বরিয়ান যুগে খরগোশের ফসিল পাওয়ার কথা নয়, কারণ বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী এ সময় (প্রিক্যাম্বরিয়ান যুগে) থাকার কথা কতকগুলো আদিম সরল প্রাণ – যেমন নিলাভ সবুজ শৈবাল, সায়নোব্যকটেরিয়া ইত্যাদি (ফসিল রেকর্ডও তাই বলছে)। আর স্তন্যপায়ী প্রাণীর উদ্ভব ঘটেছে ট্রায়োসিক যুগে (প্রিক্যাম্বরিয়ান যুগ শেষ হওয়ার ৩০ কোটি বছর পরে)। কাজেই কেউ সেই প্রিক্যাম্বরিয়ান যুগে খরগোশের ফসিল খুঁজে পেলে তা সাথে সাথেই বিবর্তনতত্ত্বকে নস্যাৎ করার জন্য যথেষ্ট হত।</p>
<p>তত্ত্বের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য অনুমান করা। যার মাধ্যমে এটিকে ভুল প্রমানের সুযোগ থাকে। আধুনিক পিঁপড়াদের পূর্বপুরুষের ফসিল কোথা থেকে পাওয়া যাবে সেইটা বিবর্তন তত্ত্ব দিয়ে অনুমান করে সত্যতা যাচাই করা হয়েছে। ডারউইন নিজেই বলে গিয়েছিলেন,মানুষের পূর্বপুরুষের জীবাশ্মের সন্ধান মিলবে আফ্রিকায় এবং জীবাশ্মবিজ্ঞানীরা সন্ধান পেয়েছেন এমন অনেক জীবাশ্মের। একটি অনুমানও যদি ভুল হতো তাহলে আমরা নিমেষেই বিবর্তনকে ঝেড়ে ফেলে দিতে পারতাম, কিন্তু হয়নি। তত্ত্বের গুরুত্বপূর্ন সকল অনুমানের তালিকা পাওয়া যাবে এখনে- http://tinyurl.com/4bh3n</p>
<p>তবে এতসব কিছুর মধ্যে আমার প্রিয় একটি উদাহরণ। ডারউইনের তত্ত্ব মতে, প্রাকৃতিক নির্বাচনের কাজ করতে হাজার হাজার কোটি কোটি বছরের প্রয়োজন। কিন্তু বই প্রকাশের সময়ও সকল মানুষ বাইবেলীয় ব্যাখা অনুযায়ী মনে করতো, পৃথিবীর বয়স মোটে ছয় হাজার বছর। ১৮৬৬ সালে বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী উইলিয়াম থমসন (পরবর্তী লর্ড কেলভিন উপাধিতে ভূষিত) বিবর্তন তত্ত্বকে চ্যালেঞ্জ করে বসেন। থমসন রাসায়নিক শক্তি এবং মাধ্যাকর্ষণ এই দুইটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আলাদা আলাদাভাবে সূর্যের বয়স নির্ধারণ করে দেখান, মাধ্যাকর্ষণ বল ব্যবহার করলে সূর্যের বয়স সবচেয়ে বেশী পাওয়া যায় এবং সেটাও কিনা হচ্ছে মাত্র কয়েক’শ লক্ষ বছর। এছাড়াও তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র ব্যবহার করে থমসন এটাও প্রমান করেন যে,মাত্র কয়েক লক্ষ বছর আগেও পৃথিবীর তাপমাত্রা এতই বেশী ছিল যে সেখানে কোনরকম প্রাণের উৎপত্তি ঘটা ছিল একেবারেই অসম্ভব ব্যাপার। তার সুতরাং বিবর্তন হবার কারণ হিসেবে ডারউইন যে প্রাকৃতিক নির্বাচন এবং এটির যে কোটি বছরের ক্রিয়াকালের কথা বলছেন,তা অবাস্তব।</p>
<p>মজার ব্যাপার হলো,সেই সময় নিউক্লিয়ার শক্তি সম্পর্কে অজ্ঞাত ছিলে পদার্থবিজ্ঞানীরা। বিংশ শতকের প্রথমদিকে শক্তির এই রূপ আবিষ্কার হবার পর বিজ্ঞানী বুঝতে পারলেন,ক্রমাগত নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় শক্তি উৎপাদনের মাধ্যমে সূর্য এবং সকল তারা কোটি বছরেরও বেশি সময় একটি সুস্থিত শক্তির উৎস হিসেবে বিদ্যমান থাকে। সুতরাং কেলভিন বুঝতে পারলেন, সূর্য এবং পৃথিবীর বয়স নির্ধারণের জন্য তার করা হিসেবটি ভুল। তিনি আনন্দের সাথে বিবর্তন তত্ত্বের উপর চ্যালেঞ্জ প্রত্যাহার করে নেন। সুতরাং বিবর্তন তত্ত্বকে এমন একটি শক্তির উৎসের অনুমানদাতাও বলা যায়! (12) উল্লেখ্য বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এসে পৃথিবীর নির্ভূল বয়স নির্ধারণ করা হয়, যা প্রায় সাড়ে চারশ&#8217; কোটি বছর।</p>
<p><strong>বিবর্তনের সত্যতাঃ</strong></p>
<p>সত্যতা প্রমান করা যায় সবদিক দিয়েই, তবে এইখানে আমরা মানুষের বিবর্তন নিয়েই আলোচনা করে দেখি বিবর্তন তত্ত্বের দাবীরা কতোটা সঠিক। বিবর্তনের প্রমান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ফসিল রেকর্ডকেই ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু আনবিক জীববিদ্যা এবং কোষবংশগতিবিদ্যা উদ্ভাবনের পর এখন আর ফসিল রেকর্ডের কোন দরকার নেই। জীনতত্ত্ব দিয়েই চমৎকারভাবে বলে দেওয়া যায় আমাদের বংশগতিধারা। জীববিজ্ঞানের এই শাখাগুলোর মাধ্যমে, আমাদের পূর্বপুরুষ কারা ছিল, তাদের বৈশিষ্ট্য কেমন ছিল, দেখতে কেমন ছিল তারা সব নির্ণয় করা হয়েছে। দেখা গেছে ফসিল রেকর্ডের সাথে অক্ষরে অক্ষরে মিলে গিয়েছে সেটা।</p>
<p>জীববিজ্ঞানীরা আমাদের পূর্বপুরুষের যেই ধারাটা দিয়েছেন সেটা হলোঃ</p>
<blockquote><p>মানুষ –&gt; নরবানর –&gt;পুরোন পৃথিবীর বানর –&gt; লেমুর</p></blockquote>
<p><strong>প্রমান একঃ</strong></p>
<p>রক্তকে জমাট বাঁধতে দিলে একধরণের তরল পদার্থ পৃথক হয়ে আসে, যার নাম সিরাম। এতে থাকে এন্টিজেন। এই সিরাম যখন অন্য প্রাণীর শরীরে প্রবেশ করানো হয় তখন উৎপন্ন হয় এন্টিবডি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মানুষের সিরাম যদি আমরা খরগোশের শরীরে প্রবেশ করাই তাহলে উৎপন্ন হবে এন্টি হিউমান সিরাম। যাতে থাকবে এন্টিবডি। এই এন্টি হিউমান সিরাম অন্য মানুষের শরীরে প্রবেশ করালে এন্টিজেন এবং এন্টিবডি বিক্রিয়া করে অধঃক্ষেপ বা তলানি উৎপন্ন হবে। যদি একটি এন্টি হিউমান সিরাম আমরা যথাক্রমে নরবানর, পুরোন পৃথিবীর বানর, লেমুর প্রভৃতির সিরামের সাথে মেশাই তাহলেও অধঃক্ষেপ তৈরী হবে। মানুষের সাথে যে প্রানীগুলোর সম্পর্কের নৈকট্য সবচেয়ে বেশি বিদ্যমান সেই প্রানীগুলোর ক্ষেত্রে তলানির পরিমান বেশি হবে, যত দূরের তত তলানীর পরিমান কম হবে। তলানীর পরিমান হিসেব করে আমরা দেখি, মানুষের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি তলানী পাওয়া যাচ্ছে, নরবানরের ক্ষেত্রে আরেকটু কম, পুরানো পৃথিবীর বানরের ক্ষেত্রে আরেকটু। অর্থাৎ অনুক্রমটা হয়-</p>
<blockquote><p>মানুষ- নরবানর- পুরোন পৃথিবীর বানর- লেমুর।</p></blockquote>
<p>অঙ্গসংস্থানবিদদের মতে উল্লিখিত প্রাণীদের মধ্যে সর্বাধিক আদিম হচ্ছে লেমুর, আর সবচেয়ে নতুন প্রজাতি হচ্ছে মানুষ। তাই মানুষের ক্ষেত্রে তলানির পরিমাণ পাওয়া যায় সবচেয়ে বেশি আর লেমুরের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম। দেখা যাচ্ছে বিবর্তন যে অনুক্রমে ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়েছে রক্তরস বিজ্ঞানের ‘অ্যান্টিজেন এন্টিবডি’ বিক্রিয়াও সে ধারাবাহিকতাকেই সমর্থন করে।</p>
<p><strong>প্রমান দুইঃ</strong></p>
<p><em>চোখ মেলে তাকিয়ে দেখুনঃ</em></p>
<p>১। প্রকৃতিতে মাঝে মাঝেই লেজ বিশিষ্ট মানব শিশু জন্ম নিতে দেখা যায়। এছাড়াও পেছনে পা বিশিষ্ট তিমি মাছ, ঘোড়ার পায়ে অতিরিক্ত আঙ্গুল কিংবা পেছনের ফিন যুক্ত ডলফিন সহ শরীরে অসংগতি নিয়ে প্রাণীর জন্মের প্রচুর উদাহরণ পাওয়া যায়। এমনটা কেন হয়। এর উত্তর দিতে পারে কেবল বিবর্তন তত্ত্বই। বিবর্তনের কোন এক ধাপে অংগ লুপ্ত হয়ে গেলেও জনপুঞ্জের জীনে ফেনোটাইপ বৈশিষ্ট্য হিসেবে ডিএনএ সেই তথ্য রেখে দেয়। যার ফলে বিরল কিছু ক্ষেত্রে তার পূনঃপ্রকাশ ঘটে।</p>
<p>২। বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী পুর্ব বিকশিত অংগ-প্রত্যঙ্গ থেকেই নতুন অঙ্গের কাঠামো তৈরির হয়। বিভিন্ন মেরুদন্ডী প্রাণীর সামনের হাত বা অগ্রপদের মধ্যে তাই লক্ষ্যনীয় মিল দেখা যায়! ব্যাঙ, কুমীর, পাখি, বাদুর, ঘোড়া, গরু, তিমি মাছ এবং মানুষের অগ্রপদের গঠন প্রায় একই রকম।</p>
<p>৩। পৃথিবীতে অগুনিত প্রজাতি থাকলেও সবচে মজার ব্যাপার হলো, ভেতরে আমরা সবাই প্রায় একই। আমরা সবাই “কমন জিন” শেয়ার করে থাকি। পূর্বপুরুষের সাথে যত বেশি নৈকট্য বিদ্যমান, শেয়ারের পরিমানও তত বেশি। যেমন, শিল্পাঞ্জি আর আধুনিক মানুষের ডিএনএ শতকরা ৯৬% একই, কুকুর আর মানুষের ক্ষেত্রে সেটা ৭৫% আর ড্যাফোডিল ফুলের সাথে ৩৩%।</p>
<p>৪। চারপাশ দেখা হলো। এবার আসুন একবার নিজেদের দিকে তাকাই। </p>
<p>ক) ত্রয়োদশ হাড়ঃ বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে ভর্তি হবার সুযোগ পেলো আমার এক বন্ধু। বাক্স পেটরা বন্দী করে সে চলে গেল ট্রেনিং এ চট্রগ্রামের ভাটিয়ারিতে। ছয় সপ্তাহ ডলা খাবার পর মিলিটারি একাডেমির নিয়ম অনুযায়ী একটি ফাইনাল মেডিক্যাল পরীক্ষা হয়। সেই পরীক্ষায় আমার বন্ধুর দেহ পরীক্ষা করে দেখা গেলো, তার পাঁজরে এক সেট হাড় বেশি। আধুনিক মানুষের যেখানে বারো সেট হাড় থাকার কথা আমার বন্ধুর আছে তেরোটি। ফলস্বরূপ তাকে মিলিটারি একাডেমির প্রশিক্ষণ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।<br />
পরিসংখ্যান থেকে পাওয়া যায়, পৃথিবীর আটভাগ মানুষের শরীরে এই ত্রয়োদশ হাড়ের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। যেটি কিনা গরিলা ও শিল্পাঞ্জির শারিরিক বৈশিষ্ট্য। মানুষ যে, এক সময় প্রাইমেট থেকে বিবর্তিত হয়েছে এই আলামতের মাধ্যমে সেটিই বোঝা যায়।</p>
<p>খ) লেজের হাড়ঃ মানুষের আদি পূর্বপুরুষ প্রাইমেটরা গাছে ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য লেজ ব্যবহার করতো।  গাছ থেকে নীচে নেমে আসার পর এই লেজের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়েছে। কিন্তু আমাদের শরীরে মেরুদন্ডের একদম নীচে সেই লেজের হাড়ের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।</p>
<p>গ) আক্কেল দাঁতঃ পাথুরে অস্ত্রপাতি আর আগুনের ব্যবহার জানার আগে মানুষ মূলতঃ নিরামিশাষী ছিলো। তখন তাদের আক্কেল দাঁতের প্রয়োজনীয়তা থাকলেও আমাদের তা নেই, যদিও আক্কেল দাঁতের অস্তিত্ব এখনও রয়ে গেছে।</p>
<p>ঘ) অ্যাপেন্ডিক্সঃ আমাদের পূর্বপুরুষ প্রাইমেটরা ছিল তৃনভোজি। তৃণজাতীয় খাবারে সেলুলোজ থাকে। এই সেলুলোজ হজম করার জন্য তাদের দেহে এপেনডিক্সে বেশ বড় ছিল। ফলে সিকামে প্রচুর পরিমান ব্যাকটেরিয়ার থাকতে পারতো যাদের মূল কাজ ছিল সেলুলোজ হজমে সহায়তা করা। সময়ের সাথে আমাদের পূর্বপুরুষদের তৃনজাতীয় খাবারের উপর নির্ভরশীলতা কমতে থাকে, তারা মাংসাশী হতে শুরু হলে। আর মাংসাশী প্রাণীদের অ্যাপেন্ডিক্সের কোন প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন বৃহৎ পাকস্থলীর। ফলে অপেক্ষাকৃত ছোট অ্যাপেন্ডিক্স এবং বড় পাকস্থলীর প্রাণীরা সংগ্রামে টিকে থাকার সামর্থ লাভ করে, হারিয়ে যেতে থাকে বাকিরা। পূর্বপুরুষের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সেই অ্যাপেন্ডিক্স আমরা এখনও বহন করে চলছি। </p>
<p>ঙ) গায়ের লোম: মানুষকে অনেক সময় ‘নগ্ন বাঁদর’ বা ‘নেকেড এপ’ নামে সম্বোধন করা হয়। আমাদের অনেক বন্ধুবান্ধবদের মধ্যেই লোমশ শরীরের অস্তিত্ব দেখা যায় এখনো। আমরা লোমশ প্রাইমেটদের থেকে বিবর্তিত হয়েছি বলেই এই আলামত এখনো রয়ে গেছে।</p>
<p><strong>প্যালের চোখ</strong></p>
<p>বিবর্তনতত্ত্বের সমালোচনাকারীরা সবচেয়ে বেশি আঙুল তুলেছেন মানুষের চোখের দিকে। চোখের মতো এমন নিখুঁত এবং জটিল একটি যন্ত্র কিভাবে দৈব পরিবর্তন (র্যা ন্ডম মিউটেশন), প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যেমে সৃষ্টি হতে পারে? হোকনা শত সহস্র বছর।</p>
<p>একটি ক্যামেরার মতো চোখেরও আলোকরশ্মি কেন্দ্রীভূত করার জন্য লেন্স, আলোকরশ্মির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আইরিস, আর এই আলোকরশ্মি থেকে ছবি আবিষ্কার করার জন্য একটি ফোটোরিসেপ্টর প্রয়োজন। এই তিনটি যন্ত্রাংশ একসাথে কাজ করলেই কেবলমাত্র চোখ দিয়ে কিছু দেখা সম্ভব হবে। যেহেতু বিবর্তন তত্ত্বমতে, বিবর্তন প্রক্রিয়া চলে স্তরে স্তরে- তাহলে লেন্স, রেটিনা, চোখের মণি সবকয়টি একসাথে একই ধরনের উৎকর্ষ সাধন করলো কীভাবে? বিবর্তন সমালোচনাকারীদের প্রশ্ন এটাই।</p>
<p>ক্যাম্বরিয়ান যুগে শরীরের উপর আলোক সংবেদনশীল ছোট একটি স্থানবিশিষ্ট প্রাণীরা আলোর দিক পরিমাপের মাধ্যমে ঘাতক প্রাণীদের হাত থেকে বেঁচে যাবার অতি সামান্য সুযোগ পেত। সময়ের সাথে সাথে এই রঙিন সমতল স্থানটি ভেতরের দিকে ডেবে গিয়েছে, ফলে তাদের দেখার ক্ষমতা সামান্য বেড়েছে। গভীরতা বাড়ার পাশাপাশি পরবর্তীতে আলো ঢোকার স্থান সরু হয়েছে। অর্থাৎ দেখার ক্ষমতা আরও পরিষ্কার হয়েছে। প্রতিটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরিবর্তন প্রানীকে সামান্য হলেও টিকে থাকার সুবিধা দিয়েছে।<br />
সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড্যান এরিক নিলসন গবেষণার মাধ্যমে বের করে দেখান যে, কীভাবে কোনও প্রাণীর শরীরের উপর আলোক সংবেদনশীল ছোট এবং রঙিন স্থান পরবর্তীতে মানুষের চোখের মতো জটিল যন্ত্রে পরিবর্তিত হতে পারে। </p>
<p><img src="http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2009/08/vlcsnap-205283-300x168.png" alt="" /></p>
<p><img src="http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2009/08/vlcsnap-206158-300x168.png" alt="" /></p>
<p>উপরের ছবি দুটি লক্ষ্য করুন। একটি অন্ধকার রুম। পেছনে একটি বাতি জ্বলছে। সবচেয়ে বামে একটি সমতল কাগজ লাগানো। যার মাধ্যমে আমরা শুধু বুঝতে পারছি আলো আছে। কিন্তু কোথা থেকে আলো বের হচ্ছে কিংবা বাতিটি কোথায় তেমন কিছুই জানা যাচ্ছে না। তারপরের পিংপং বলটিতে আলো প্রবেশের স্থানটি চওড়া আর গভীরতা কম। তারপরেরটায় স্থানটি আগেরটার চেয়ে সংকুচিত এবং গভীরতা বেশি। সর্ব ডানেরটায় আলো প্রবেশের স্থান সবচেয়ে সংকুচিত এবং গভীরতা সবচেয়ে বেশি। আর এটি দিয়েই আমরা সবচেয়ে ভালোভাবে আলোটির উৎস বুঝতে পারছি।</p>
<p>এখন প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব অনুযায়ী, প্রতিটি পরিবর্তনই প্রাণীকে কিঞ্চিৎ হলেও আক্রমণকারীর হাত থেকে বাঁচার সুবিধা প্রদান করেছে। যারা সামান্য দেখতে পাচ্ছে তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়েছে, বেড়েছে তাদের সন্তান বংশবৃদ্ধির সম্ভাবনা। অপরদিকে অর্থবরা হারিয়ে গেছে। ধীরে ধীরে বংশানুক্রমে উন্নতি হয়েছে দৃষ্টিশক্তির। সময়ের সাথে সাথে শুরুর এই আলোক সংবেদনশীল স্থান রেটিনায় পরিণত হয়েছে, সামনে একটি লেন্সের সৃষ্টি হয়েছে।</p>
<p>ধারনা করা হয়, প্রাকৃতিক ভাবে লেন্সের সৃষ্টি হয়েছে যখন চোখকে পূর্ণকরে রাখা স্বচ্ছ তরলের সময়ের সাথে সাথে ঘনত্ব বেড়েছে। ছবিতে দেখুন সাদা অংশটি তৈরি হচ্ছে চোখকে পূর্ণ করে রাখা স্বচ্ছ তরলের মাধ্যমে। তরলের ঘনত্ব যত বেড়েছে লেন্সের গঠন ততো  ভালো হয়েছে, দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়েছে।</p>
<div id="attachment_13716" class="wp-caption aligncenter" style="width: 310px"><img src="http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2009/08/vlcsnap-210880-300x168.png" alt="স্বচ্ছ তরলে পরিপূর্ণ।" title="vlcsnap-210880" width="300" height="168" class="size-medium wp-image-13716" /><p class="wp-caption-text">স্বচ্ছ তরলে পরিপূর্ণ।</p></div>
<div id="attachment_13717" class="wp-caption aligncenter" style="width: 310px"><img src="http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2009/08/vlcsnap-214184-300x168.png" alt="তরল ঘন হচ্ছে" title="vlcsnap-214184" width="300" height="168" class="size-medium wp-image-13717" /><p class="wp-caption-text">তরল ঘন হচ্ছে</p></div>
<div id="attachment_13718" class="wp-caption aligncenter" style="width: 310px"><img src="http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2009/08/vlcsnap-212770-300x168.png" alt="ঘন হতে হতে লেন্সের সৃষ্টি" title="vlcsnap-212770" width="300" height="168" class="size-medium wp-image-13718" /><p class="wp-caption-text">ঘন হতে হতে লেন্সের সৃষ্টি</p></div>
<p>বলে রাখা প্রয়োজন বিজ্ঞানীদের তৈরি করা চোখের বিবর্তনের প্রতিটি স্তর বর্তমানে জীবিত প্রাণীদের মধ্যেই লক্ষ করা যায়। এছাড়াও শুধুমাত্র আলোক সংবেদনশীল স্থান বিশিষ্ট প্রাণী ছিল আজ থেকে ৫৫ কোটি বছর আগে। বিজ্ঞানীরা গণনা করে বের করেছেন, এই আলোক সংবেদনশীল স্থানটি মানুষের চোখের মতো হবার জন্য সময় প্রয়োজন মাত্র ৩৬৪ হাজার বছর।</p>
<p><strong>ডিজাইন না ব্যাড ডিজাইনঃ</strong></p>
<p>মানুষের চোখের অক্ষিপটের ভেতরে একধরনের আলোগ্রাহী কোষ আছে যারা বাইরের আলো গ্রহণ করে এবং তারপর একগুচ্ছ অপটিক নার্ভের (আলো গ্রাহী জাল) মাধ্যমে তাকে মস্তিষ্কে পৌঁছোনোর ব্যবস্থা করে, ফলে আমরা দেখতে পাই। কিন্তু মজার ব্যপার হলো, অক্ষিপটের ঠিক সামনে এই স্নায়ুগুলো জালের মত ছড়ানো থাকে, সাথে সাথে এই স্নায়ুগুলোকে যে রক্তনালীগুলো রক্ত সরবরাহ করে তারাও আমাদের অক্ষিপটের সামনেই বিস্তৃত থাকে। ফলে আলো বাধা পায় এবং আমাদের দৃষ্টিশক্তি কিছুটা হলেও কমে যায়। স্নায়ুগুলোর এই অসুবিধাজনক অবস্থানের কারণে আমাদের চোখে আরেকটি বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে। স্নায়বিক জালটি মস্তিষ্কে পৌঁছোনোর জন্য অক্ষিপটকে ফুটো করে তার ভিতর দিয়ে পথ করে নিয়েছে। এর ফলে সৃষ্টি হয়েছে একটি অন্ধবিন্দুর (blind spot)(13)</p>
<p><img alt="" src="http://www.mukto-mona.com/project/muktanwesa/1st_issue/blind_spot_comb.jpg" class="alignnone" width="300"></p>
<p>কুকুর, বিড়াল কিংবা ঈগলের দৃষ্টিশক্তি যে মানুষের চোখের চেয়ে বেশি তা সবাই জানে। মানুষ তো বলতে গেলে রাতকানা, কিন্তু অনেক প্রাণীই আছে রাতে খুব ভাল দেখতে পায়। আবার অনেক প্রাণীই আছে যাদের চোখে কোনও অন্ধবিন্দু নেই। যেমন, স্কুইড বা অক্টোপাস। এদের মানুষের মতই একধরনের লেন্স এবং অক্ষিপটসহ চোখ থাকলেও অপটিক নার্ভগুলো অক্ষিপটের পেছনে অবস্থান করে এবং তার ফলে তাদের চোখে কোনও অন্ধবিন্দুর সৃষ্টি হয়নি।<br />
মানুষের চোখের এই সীমাবদ্ধতাকে অনেকেই “ব্যাড ডিজাইন” বলে অভিহিত করে থাকেন। অবশ্য যেহেতু চোখ দিয়ে ভালোভাবেই কাজ চালিয়ে নেওয়া যাচ্ছে তাই “ব্যাড ডিজাইন” এর মতো শব্দ প্রয়োগে নারাজ জীববিজ্ঞানী কেনেথ মিলার। তারমতে, চোখের এমন হবার কারণ বিবর্তন তত্ত্ব দিয়ে বেশ ভালো ভাবে বোঝা যায় (14)। বিবর্তন কাজ করে শুধুমাত্র ইতোমধ্যে তৈরি বা বিদ্যমান গঠনকে পরিবর্তন করার মাধ্যমে, সে নতুন করে কিছু সৃষ্টি বা বদল করতে পারে না। মানুষের মত মেরুদণ্ডি প্রাণীর চোখ সৃষ্টি হয়েছে অনেক আগেই সৃষ্টি হওয়া মস্তিষ্কের বাইরের দিকের অংশকে পরিবর্তন করে। বহুকাল ধরে বিবর্তন প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্কের বাইরের দিক আলোক সংবেদনশীল হয়েছে, তারপর ধীরে ধীরে অক্ষিপটের আকার ধারণ করেছে। যেহেতু মস্তিষ্কের পুরোনো মূল গঠনটি বদলে যায়নি, তাই জালের মত ছড়িয়ে থাকা স্নায়ুগুলোও তাদের আগের অবস্থানেই রয়ে গেছে। কিন্তু অন্যদিকে স্কুইড জাতীয় প্রাণীর চোখ বিবর্তিত হয়েছে তাদের চামড়ার অংশ থেকে, মস্তিষ্কের অংশ থেকে নয়। এক্ষেত্রে ত্বকের স্নায়ুগুলো মস্তিষ্কের মত ঠিক বাইরের স্তরে না থেকে ভেতরের স্তরে সাজানো থাকে, আর এ কারণেই স্নায়ুগুলো চোখের অক্ষিপটের সামনে নয় বরং পেছনেই রয়ে গেছে। চোখের ক্ষেত্রে তাই গুড ডিজাইন বা ব্যাড ডিজাইন তর্ক অপ্রাসংগিক। এটাকে তো ডিজাইনই করা হয়নি।<br />
বিবর্তনের পথে অনন্ত চল্লিশ রকম ভাবে চোখ তৈরী হতে পারতো (15)। আলোকরশ্মী সনাক্ত এবং কেন্দীভূত করার আটটি ভিন্ন উপায়ের সন্ধান দিয়েছেন নিউরো-বিজ্ঞানীরা (16)। কিন্তু পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক নির্বাচনের যুদ্ধে অসংখ্য সমাধান মধ্যে একটি সমাধান টিকে গিয়েছে। সংক্ষেপে, চোখের গঠন যদি বাইরের কারও হস্তক্ষেপ ব্যতিত, শুধুমাত্র বস্তুগত প্রক্রিয়ায় উদ্ভব হতো তাহলে দেখতে যেমন হবার কথা ছিল ঠিক তেমনই হয়েছে। চোখের গঠনে কারও হাঁত নেই, নেই কোনও মহাপরাক্রমশালী নকশাকারকের নিপুনতা।<br />
<strong><br />
আগামী পর্বগুলোয় যা থাকবেঃ</strong></p>
<p>বিহের হ্রাস অযোগ্য জটিলতা, অসম্ভব্যতা, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও প্রাকৃতিক নির্বাচন, সেলফ অর্গানাইযেশন, আদম- হাওয়া কাহিনী ও নূহের মহাপ্লাবন।</p>
<p><strong>তথ্যসূত্রঃ </strong></p>
<p>১। Irreligion: A Mathematician Explains Why the Arguments for God Just Don&#8217;t Add Up &#8211; John Allen Paulos। পৃষ্ঠা নং ১০</p>
<p>২। একই বই, পৃষ্ঠা নং ১১</p>
<p>৩। ডারউইন দিবসে রিচার্ড ডকিন্স পরিচিতি- অভিজিৎ রায় http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=5042</p>
<p>৪। Natural Theology, or Evidence of Existence and Attributes of the Deity, collected from the Appearances of Nature (London: Halliwell, 1802)</p>
<p>৫। Before Darwin: Reconciling God and Nature (New Haven and London: Yale University Press, 2005), পৃষ্ঠা নং ২০</p>
<p>৬। একই বই, পৃষ্ঠা নং ৬</p>
<p>৭। বিবর্তনের সাক্ষ্যপ্রমাণ- ১ (জেরি কোয়েন –এর ‘বিবর্তন কেন বাস্তব’ অবলম্বনে), ইরতিশাদ। http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=5649</p>
<p>৮। The Origin of Species by Means of Natural Selection (London: John Murray, 1859)</p>
<p>৯। Why People Believe in Weird Things, তৃতীয় অধ্যায়, পৃষ্ঠা নং ১৪০</p>
<p>১০। GOD: The Failed Hypothesis, Victor Stenger, পৃষ্ঠা নং ৪৯</p>
<p>১১। এক বিবর্তনবিরোধীর প্রত্যুত্তরে, অভিজিৎ রায়, http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=936</p>
<p>১২। GOD: The Failed Hypothesis, Victor Stenger, পৃষ্ঠা নং ৫১</p>
<p>১৩। The Blind Watchmaker: Why the Evidence of Evolution reveals a Universe Without Design, Richard Dawkins (London, New York,: Norton, 1987) পৃষ্ঠা নং ৯৩</p>
<p>১৪। &#8220;Life&#8217;s Grand Design&#8221;, Kenneth R. Miller, পৃষ্ঠা নং ২৪-৩২</p>
<p>১৫। Climbing Mount Improbable, Richard Dawkins, চ্যাপ্টার &#8220;The Fortyfold Path to Enlightenment&#8221;</p>
<p>১৬। &#8220;Evolution of Eyes, Current Opinion in Neurobiology&#8221;, R. D. Fernald, পৃষ্ঠা নং ৪৪৪-৫০</p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/nirbaan.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/nirbaan.wordpress.com/33/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/nirbaan.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/nirbaan.wordpress.com/33/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/nirbaan.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/nirbaan.wordpress.com/33/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/nirbaan.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/nirbaan.wordpress.com/33/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/nirbaan.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/nirbaan.wordpress.com/33/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/nirbaan.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/nirbaan.wordpress.com/33/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/nirbaan.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/nirbaan.wordpress.com/33/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=33&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://nirbaan.wordpress.com/2010/03/15/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a7%81/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://1.gravatar.com/avatar/51b943fc8d75b033c488b5b3c4d7d219?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">রায়হান আবীর</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2009/08/vlcsnap-205283-300x168.png" medium="image" />

		<media:content url="http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2009/08/vlcsnap-206158-300x168.png" medium="image" />

		<media:content url="http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2009/08/vlcsnap-210880-300x168.png" medium="image">
			<media:title type="html">vlcsnap-210880</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2009/08/vlcsnap-214184-300x168.png" medium="image">
			<media:title type="html">vlcsnap-214184</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2009/08/vlcsnap-212770-300x168.png" medium="image">
			<media:title type="html">vlcsnap-212770</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://www.mukto-mona.com/project/muktanwesa/1st_issue/blind_spot_comb.jpg" medium="image" />
	</item>
		<item>
		<title>আগোরা: ধর্মের স্বরূপ উন্মোচন</title>
		<link>http://nirbaan.wordpress.com/2010/03/03/%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%82%e0%a6%aa-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ae/</link>
		<comments>http://nirbaan.wordpress.com/2010/03/03/%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%82%e0%a6%aa-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ae/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 03 Mar 2010 15:15:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>raihan abir</dc:creator>
				<category><![CDATA[সিনেমা]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজি চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[খ্রিস্টান]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[প্যাগান]]></category>
		<category><![CDATA[হাইপেসিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://nirbaan.wordpress.com/2010/03/03/%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%82%e0%a6%aa-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ae/</guid>
		<description><![CDATA[২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র &#8220;আগোরা&#8221; খ্রিষ্টাব্দ চার শতকে আলেকসান্দ্রিয়ায় একশ্বেরবাদী খ্রিস্টানদের ঈশ্বরের ইশারায় করা খুন, জখম, নারী নির্যাতনের দুর্লভ চিত্র। একশ চুয়াল্লিশ মিনিট সময় এমন ঘটনা বর্ণনার জন্য যথেষ্ট কম মনে হলেও পরিচালক Alejandro Amenabar কে তাঁর সুনিপুণ দক্ষতার জন্য দশ-এ সাড়ে আট দেওয়া যায় অনায়াসেই। চলচ্চিত্রটির মূল কাহিনী বর্ণিত হয়েছে বিখ্যাত গণিতজ্ঞ, জ্যোতির্বিদ ও [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=31&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="http://3.bp.blogspot.com/_N6APHtFPWNc/S4cPUO4pytI/AAAAAAAABnM/USioUn3NZwA/s1600/ago.jpg" alt="" /></p>
<p>২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র &#8220;আগোরা&#8221; খ্রিষ্টাব্দ চার শতকে আলেকসান্দ্রিয়ায় একশ্বেরবাদী খ্রিস্টানদের ঈশ্বরের ইশারায়  করা খুন, জখম, নারী নির্যাতনের দুর্লভ চিত্র। <span id="more-31"></span>একশ চুয়াল্লিশ মিনিট সময় এমন ঘটনা বর্ণনার জন্য যথেষ্ট কম মনে হলেও পরিচালক Alejandro Amenabar কে তাঁর সুনিপুণ দক্ষতার জন্য দশ-এ সাড়ে আট দেওয়া যায় অনায়াসেই। চলচ্চিত্রটির মূল কাহিনী বর্ণিত হয়েছে বিখ্যাত গণিতজ্ঞ, জ্যোতির্বিদ ও দার্শনিক হাইপেসিয়াকে ঘিরে। নির্ধার্মিক হাইপেসিয়া, ছাত্রদের টলেমি, প্লেটো, অ্যারিস্টোটলদের গবেষণা পড়াতেন, দিনরাত নিজে গবেষণা করতেন সৌরজগৎ নিয়ে। তখনকার দিনে পৃথিবীকে সবকিছুর কেন্দ্র এবং অন্যসকল গ্রহ, নক্ষত্র একে কেন্দ্র করে ঘুরছে মনে করা হলেও হাইপেসিয়া সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর ঘোরার পাশাপাশি অনুমান করেছিলেন আবর্তনের উপবৃত্তাকার কক্ষপথের ব্যাপারটিও।</p>
<p>এই হাইপেসিয়াকে তদানিন্তন ক্যাথলিক চার্চ উইচ বা ডাইনি বলে অভিহিত করে এবং পাথর ছুড়ে হত্যা করে। পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে, খোদার বিচার প্রতিষ্ঠা করার নিমিত্তে খ্রিষ্টানদের দ্বারা ধ্বংস হয় প্যাগানদের সকল গবেষণা-নথি। এই চলচ্চিত্রটি অবশ্য দেখনীয় এবং বলে লাভ নেই, ধার্মিকদের জন্য বুঝনীয়ও।</p>
<p>খ্রিষ্টানদের রক্তরঞ্জিত ইতিহাস দেখে মুসলমান দর্শকের আনন্দে আনন্দিত হবার কোনও কারণ নেই, কারণ ঠিক একই ভাবে রঞ্জিত তাদেরও ইতিহাস, একেশ্বরবাদী সকল ধর্মের ইতিহাস।</p>
<p>ডাউনলোড লিংক</p>
<p>১। ডাইরেক্ট ডাউনলোড- পর্ব এক, পর্ব দুই</p>
<p>২। র‌্যাপিড শেয়ার </p>
<p>http://rapidshare.com/files/355836501/Agora.2009.DVDRIP.H264-ZEKTORM.part1.rar</p>
<p>http://rapidshare.com/files/355769982/Agora.2009.DVDRIP.H264-ZEKTORM.part2.rar</p>
<p>http://rapidshare.com/files/355796649/Agora.2009.DVDRIP.H264-ZEKTORM.part3.rar</p>
<p>http://rapidshare.com/files/355810036/Agora.2009.DVDRIP.H264-ZEKTORM.part4.rar</p>
<p>৩। মেগাআপলোড</p>
<p>http://www.megaupload.com/?d=6JVDMQCV</p>
<p>http://www.megaupload.com/?d=4FQK9TXR</p>
<p>http://www.megaupload.com/?d=NTQNC0CE</p>
<p>http://www.megaupload.com/?d=1VP1OD7T</p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/nirbaan.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/nirbaan.wordpress.com/31/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/nirbaan.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/nirbaan.wordpress.com/31/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/nirbaan.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/nirbaan.wordpress.com/31/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/nirbaan.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/nirbaan.wordpress.com/31/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/nirbaan.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/nirbaan.wordpress.com/31/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/nirbaan.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/nirbaan.wordpress.com/31/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/nirbaan.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/nirbaan.wordpress.com/31/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=31&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://nirbaan.wordpress.com/2010/03/03/%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%82%e0%a6%aa-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
	
		<media:content url="http://1.gravatar.com/avatar/51b943fc8d75b033c488b5b3c4d7d219?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">রায়হান আবীর</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://3.bp.blogspot.com/_N6APHtFPWNc/S4cPUO4pytI/AAAAAAAABnM/USioUn3NZwA/s1600/ago.jpg" medium="image" />
	</item>
		<item>
		<title>জাস্ট এ থিওরি</title>
		<link>http://nirbaan.wordpress.com/2010/01/29/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%8f-%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%93%e0%a6%b0%e0%a6%bf/</link>
		<comments>http://nirbaan.wordpress.com/2010/01/29/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%8f-%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%93%e0%a6%b0%e0%a6%bf/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 29 Jan 2010 07:30:46 +0000</pubDate>
		<dc:creator>raihan abir</dc:creator>
				<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[বিবর্তন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://nirbaan.wordpress.com/2010/01/29/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%8f-%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%93%e0%a6%b0%e0%a6%bf/</guid>
		<description><![CDATA[বিবর্তনকে উদ্দেশ্য করে সৃষ্টিবাদীদের করা সবচেয়ে প্রচারিত সন্দেহ, বিবর্তন শুধুই একটি তত্ত্ব, এর কোনও বাস্তবতা নেই। সত্যিই কি তাই? বিজ্ঞানীরা বাস্তবে ঘটেনা, এমন কোনও কিছু নিয়ে কখনও তত্ত্ব প্রদান করেন না। কোন পর্যবেক্ষণ যখন বারংবার বিভিন্নভাবে প্রমানিত হয় তখন তাকে আমরা বাস্তবতা বা সত্য (fact) বলে ধরে নেই। প্রাণের বিবর্তন ঘটছে। প্রতিটি প্রজাতি স্বতন্ত্রভাবে সৃষ্টি [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=29&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বিবর্তনকে উদ্দেশ্য করে সৃষ্টিবাদীদের করা সবচেয়ে প্রচারিত সন্দেহ, বিবর্তন শুধুই একটি তত্ত্ব, এর কোনও বাস্তবতা নেই। সত্যিই কি তাই? বিজ্ঞানীরা বাস্তবে ঘটেনা, এমন কোনও কিছু নিয়ে কখনও তত্ত্ব প্রদান করেন না। কোন পর্যবেক্ষণ যখন বারংবার বিভিন্নভাবে প্রমানিত হয় তখন তাকে আমরা বাস্তবতা বা সত্য (fact) বলে ধরে নেই। </p>
<p>প্রাণের বিবর্তন ঘটছে। প্রতিটি প্রজাতি স্বতন্ত্রভাবে সৃষ্টি করা হয়নি, বরঞ্চ প্রাণের উদ্ভবের পর থেকে প্রতি নিয়ত পরিবেশের বিভিন্ন প্রভাবের কারণে এক প্রজাতি বিবর্তিত হয়ে অন্য প্রজাতিতে রূপান্তরিত হয়েছে। এইপরা রাতে ঘুমালো, সকালে উঠে দেখলো তারা সবাই হোমোসেপিয়েন্স এ রুপান্তরিত হয়ে গেছে- এমন না, এটি লক্ষ বছরে পরিবেশে টিকে থাকার জন্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিবর্তনের ফসল। <span id="more-29"></span>প্রজাতি এক রূপ থেকে আরেক রূপে বিবর্তিত হতে পারেনা, এটা এই যুগে এসে মনে করাটা পাপ, যখন দেখা যায়, চৈনিকরা যোগাযোগ খরচ বাচানোর জন্য গোল, গোল তরমুজকে চারকোণা করে ফেলেছে। কবুতর, কুকুরের ব্রিডিং সম্পর্কেও আমরা সবাই অবগত। মাত্র কয়েক প্রজন্মেই এক প্রজাতির কুকুর থেকে আরেক প্রজাতির উদ্ভব হয়, সেখানে পরিবেশ পেয়েছে লক্ষ- কোটি বছর। বিবর্তনের যে বাস্তব এই প্রমান দেখতে আগ্রহীদের জন্য ন্যাশনাল জিওগ্রাফী চ্যানেলের নির্মিত প্রামান্য চিত্র ‘ওয়াজ ডারউইন রং’, চ্যনেল ফোরের ‘জিনিয়াস অফ চার্লস ডারউইন’, অক্সফোর্ড প্রফেসর রিচার্ড ডকিন্সের ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ (২০০৯) বইটি সহায়ক হতে পারে।</p>
<p>অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, বিবর্তন ঘটে। পাহাড় সমান প্রমান, ফসিল, ডিএনএ -র আবিষ্কার প্রমান করে, এটা বাস্তব। আমরা জানি, পর্যবেক্ষণলব্ধ জ্ঞানকে ব্যাখ্যা করার জন্যই প্রয়োজন হয় বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের। যেমনঃ গাছ থেকে আপেল পড়ে, এটি একটি বাস্তবতা, একে ব্যাখ্যা করা হয় নিউটনের মহার্কষ তত্ত্ব দ্বারা। তত্ত্ব কোনও সাধারণ বাক্য নয়, বাস্তবতার ব্যখ্যা করার জন্য বিজ্ঞানীরা প্রথমে একটি হাইপোথিসিস বা অনুমিত তত্ত্ব দাঁড় করান। পরবর্তীতে এই অনুমিত তত্ত্বকে পর্যবেক্ষণ লব্ধ জ্ঞান, অন্যান্য বৈজ্ঞানিক সূত্রের মাধ্যমে আঘাত করা হয়। যদি সকল আঘাত থেকে যুক্তিযুক্ত ভাবে একটি অনুমিত তত্ত্ব বেঁচে ফিরতে পারে এবং যখন প্রত্যক্ষ, পরোক্ষ প্রমান একে সমর্থন করে তখন একে একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব উপাধি দেওয়া হয়। বিবর্তনকে যে তত্ত্ব দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়, তার নাম ‘প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব’।</p>
<p>প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব নিয়ে ডারউইন একদিকে যেমন নিঃসংশয় ছিলেন অপরদিকে ছিলেন দ্বিধাগ্রন্থ। কারণ  লক্ষ- কোটি প্রজাতির মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট একটি প্রজাতির এই তত্ত্বের বাইরে উদ্ভব হওয়া এই তত্ত্বকে বাতিল করে দিতে যথেষ্ট। দীর্ঘ বিশ বছর বিভিন্ন প্রমাণ সংগ্রহের পর একটি বিশেষ ঘটনার কারণে ডারউইন ১৮৫৮ সালে তত্ত্বটি প্রকাশ করেন। তারপর থেকেই বিবর্তনবাদ বিজ্ঞানীদের ছুরির নীচে। গত দেড়শ বছর ধরে বিভিন্ন ভাবে বিবর্তন তত্ত্বকে পরীক্ষা করা হয়েছে, এটি কখনওই ভুল প্রমানিত হয়নি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়,  প্রতিটা নতুন ফসিল আবিষ্কার বিবর্তন তত্ত্বের জন্য একটি পরীক্ষা। একটি ফসিলও যদি বিবর্তনের ধারার বাইরে পাওয়া যায় সেই মাত্র তত্ত্বটি ভুল বলে প্রমানিত হবে। একবার বিজ্ঞানী জেবি এস হালডেনকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কিভাবে বিবর্তনকে ভুল প্রমাণ করা যায়? উত্তরে হালডেন বলেছিলেন, </p>
<blockquote><p>কেউ যদি প্রক্যাম্বরিয়ান যুগে খরগোশের ফসিল খুঁজে পায়।</p></blockquote>
<p>বলা বাহুল্য এ ধরনের কোন ফসিলই এ পর্যন্ত আবিস্কৃত হয় নি। না হওয়ারই কথা, কারণ বিজ্ঞানীরা বিবর্তনের যে ধারাটি আমাদের দিয়েছেন তা হল :<br />
মাছ –&gt; উভচর –&gt; সরীসৃপ –&gt; স্তন্যপায়ী প্রানী।</p>
<p>খরগোশ যেহেতু একটি পুরোপুরি স্তন্যপায়ী প্রাণী, সেহেতু সেটি বিবর্তিত হয়েছে অনেক পরে এবং বিভিন্ন ধাপে (মাছ থেকে উভচর, উভচর থেকে সরিসৃপ এবং সরিসৃপ থেকে শেষ পর্যন্ত খরগোশ), তাই এতে সময় লেগেছে বিস্তর। প্রিক্যাম্বরিয়ান যুগে খরগোশের ফসিল পাওয়ার কথা নয়, কারণ বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী এ সময় (প্রিক্যাম্বরিয়ান যুগে) থাকার কথা কতকগুলো আদিম সরল প্রাণ – যেমন নিলাভ সবুজ শৈবাল, সায়নোব্যকটেরিয়া ইত্যাদি (ফসিল রেকর্ডও তাই বলছে)। আর স্তন্যপায়ী প্রাণীর উদ্ভব ঘটেছে ট্রায়োসিক যুগে (প্রিক্যাম্বরিয়ান যুগ শেষ হওয়ার ৩০ কোটি বছর পরে)। কাজেই কেউ সেই প্রিক্যাম্বরিয়ান যুগে খরগোশের ফসিল খুঁজে পেলে তা সাথে সাথেই বিবর্তনতত্ত্বকে নস্যাৎ করার জন্য যথেষ্ট হত।</p>
<p>তত্ত্বের আরেকটি গুরুত্বপূর্ন বৈশিষ্ট্য থাকে, এর মাধ্যমে আমরা ভবিষ্যত আবিষ্কার সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ করতে পারি। বিবর্তন তত্ত্ব সুচারুভাবে এই দায়িত্ব পালন করে। যেমন, আধুনিক পিঁপড়াদের পূর্বপুরুষের ফসিল কোথা থেকে পাওয়া যাবে সেইটা বিবর্তন তত্ত্ব দিয়ে বের করে সত্যতা যাচাই করা হয়েছে। এছাড়াও তত্ত্বের গুরুত্বপূর্ন সকল ভবিষ্যতবাণীর তালিকা পাওয়া যাবে এখনে- http://tinyurl.com/4bh3n</p>
<p>আবার আসা যাক, নিউটনের মহাকর্ষ তত্ত্বে। আগেই বলেছি, বর্তমান পর্যন্ত সকল আহোরিত জ্ঞান দিয়ে আঘাত করার মাধ্যমে একটি অনুমিত তত্ত্বকে তত্ত্বের মর্যাদা দান করা যায়। দীর্ঘ সময় পর্যন্ত গাছ থেকে আপেল পড়া বাস্তবতাটিকে ব্যাখ্যায় নিউটনের তত্ত্বই সঠিক ফলাফল দিয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে আবিষ্কৃত বিশেষ কিছু পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখা গেল, নিউটনের তত্ত্ব সঠিক ফলাফল দিতে পারছেনা, যা পারছে আইনস্টানের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব। সুতরাং এখন আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্বই গ্রহণযোগ্য। এখানে একটা বিষয় উল্লেখ করা বিশেষ প্রয়োজন, গাছ থেকে আপেল পড়ার ব্যাখ্যা যাই দিয়েই দেওয়া হোকনা কেন, আপেল পড়া কিন্তু থেমে যায়নি। বিবর্তনও তাই।  পাহাড় সমান প্রমানের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা শতভাগ নিশ্চিত যে, পৃথিবীর সকল প্রজাতিত উদ্ভব বিবর্তনের মাধ্যমে হয়েছে। এটি সূর্য পৃথিবী চারদিকে ঘোরে, গাছ থেকে আপেল পড়ার মতোই বাস্তবতা। এই বাস্তবতাটি ডারউইনের তত্ত্ব দিয়ে এখন পর্যন্ত সঠিকভাবে ব্যাখ্যা যাচ্ছে,  ভবিষ্যতের কোনও পরিস্থিতিতে ডারউইনের তত্ত্ব যদি সঠিক ফলাফল দিতে অপারগ হয় তাহলে আমরা আরও সঠিক কোনও ব্যাখ্যার সন্ধান পাবো, কিন্তু গাছ থেকে আপেল পড়ছিল, পড়ছে এবং পড়তে থাকবে, বিবর্তনও হয়েছিল, হচ্ছে, হতেই থাকবে।</p>
<p>মুক্তমনায় প্রকাশিত- http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=4823</p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/nirbaan.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/nirbaan.wordpress.com/29/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/nirbaan.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/nirbaan.wordpress.com/29/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/nirbaan.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/nirbaan.wordpress.com/29/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/nirbaan.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/nirbaan.wordpress.com/29/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/nirbaan.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/nirbaan.wordpress.com/29/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/nirbaan.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/nirbaan.wordpress.com/29/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/nirbaan.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/nirbaan.wordpress.com/29/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=29&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://nirbaan.wordpress.com/2010/01/29/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%8f-%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%93%e0%a6%b0%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://1.gravatar.com/avatar/51b943fc8d75b033c488b5b3c4d7d219?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">রায়হান আবীর</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>ইয়ু হ্যাভ কিলড গড, স্যার!</title>
		<link>http://nirbaan.wordpress.com/2010/01/24/%e0%a6%87%e0%a7%9f%e0%a7%81-%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ad-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%a1-%e0%a6%97%e0%a6%a1-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
		<comments>http://nirbaan.wordpress.com/2010/01/24/%e0%a6%87%e0%a7%9f%e0%a7%81-%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ad-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%a1-%e0%a6%97%e0%a6%a1-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 23 Jan 2010 19:22:38 +0000</pubDate>
		<dc:creator>raihan abir</dc:creator>
				<category><![CDATA[বিবর্তন]]></category>
		<category><![CDATA[সিনেমা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://nirbaan.wordpress.com/?p=25</guid>
		<description><![CDATA[ডারউইনের জীবনীর উপর ভিত্তি করে তৈরী ২০০৯ এ মুক্তি পাওয়া ব্রিটিশ চলচ্চিত্র ক্রিয়েশন। যারা রিভিউ পড়তে চাননা কিন্তু সিনেমাটি দেখার আগ্রহ আছে- তারা সরাসরি নীচে চলে যেতে পারেন, ডাউনলোড লিংকের জন্য। দৈনিক পত্রিকায় একটি বইয়ের রিভিউ লিখে দেওয়ার জন্য একজন কয়েকদিন আগে আমাকে অনুরোধ করেছিলেন। আমি জীবনে কখনও কোনো কিছুর আদর্শ রিভিউ লিখিনাই, সুতরাং বেশ [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=25&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ডারউইনের জীবনীর উপর ভিত্তি করে তৈরী ২০০৯ এ মুক্তি পাওয়া ব্রিটিশ চলচ্চিত্র <a href="http://www.imdb.com/title/tt0974014/">ক্রিয়েশন</a>। যারা রিভিউ পড়তে চাননা কিন্তু সিনেমাটি দেখার আগ্রহ আছে- তারা সরাসরি নীচে চলে যেতে পারেন, ডাউনলোড লিংকের জন্য।</p>
<p>দৈনিক পত্রিকায় একটি বইয়ের রিভিউ লিখে দেওয়ার জন্য একজন কয়েকদিন আগে আমাকে অনুরোধ করেছিলেন। আমি জীবনে কখনও কোনো কিছুর আদর্শ রিভিউ লিখিনাই, সুতরাং বেশ বাটে পড়লাম তার প্রস্তাবে রাজী হয়ে। বাসায় ফিরে গুগল এর কাছ থেকে বিভিন্ন বইয়ের রিভিউ সংগ্রহ করলাম, রিভিউ লেখার ফরম্যাট সম্পর্কে জানতে। এরমধ্যে একটার শেষ লাইনটা বেশ মনে ধরলো। সমালোচক সেখানে বলেছেন, বইটার সম্পর্কে এতক্ষণ অনেক কিছু বললাম যার কোনও দরকার ছিলনা, একটা লাইনই যথেষ্ট- বইটি পড়ুন।<span id="more-25"></span></p>
<p>ক্রিয়েশনের রিভিউ লেখার আগে আমিও একটা কথাই আগে বলে নিবো। সেটা &#8220;সিনেমাটি দেখুন&#8221; তা নয়। পুরা সিনেমায় আমাকে সন্তুষ্ট করেছে মাত্র একটা লাইন। প্রথম কয়েক মিনিটের মাথায় ডারউইনকে করা টমাস হাক্সলি&#8217;র বক্তব্য- You&#8217;ve killed God, Sir!</p>
<p>ছবিটি ইংল্যাণ্ডে মুক্তি পেয়েছে ডারউইনের ২০০ তম জন্মদিন এবং &#8220;অরিজিন অফ স্পিসিজ&#8221; প্রকাশের দেড়শ বছর পূর্তির দিনে। এমন একটি দিনক্ষণে মুক্তি পাওয়ার ব্যাপারটিতে সবাই বেশ আকৃষ্ট হবে, ধরেই নেওয়া যায়। এছাড়াও ছবির শুরু করা হয়েছে নীচের বক্তব্য দানের মাধ্যমে-</p>
<blockquote><p>
চার্লস ডারউইনের &#8220;দ্য অরিজিন অফ স্পিসিজ&#8221;। প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৫৯ সালে। ইতিহাসের সবচেয়ে বৃহৎ, একক দর্শন হিসেবে যাকে উল্লেখ করা হয়। এই গল্প, বইটি কীভাবে লেখা হয়েছে তা নিয়ে।</p></blockquote>
<p>দুঃখের সাথে জানাতে বাধ্য হচ্ছি, পরিচালক (জন এমিল) Jon Amiel’s তার কথা রাখেন নি। তিনি অরিজিন অফ স্পিসিজ লেখার পেছনের গল্প বলার জন্য বেছে নিয়েছেন, ডারউইনের নাতীর নাতী র‌্যান্ডাল কেইনস এর লেখা বই &#8220;এনিই&#8217;স বক্স&#8221; কে।</p>
<p>এনি, ডারউইনের প্রথম সন্তান, বলা যেতে পারে তার সবচেয়ে ভালোবাসার সন্তান। পৃথিবীতে তার আয়ূষ্কাল ছিল মাত্র দশ বছর, কিন্তু এই দশ বছরে সে বাবার সম্পূর্ন মন জয় করে বিজ্ঞানের প্রতি তার প্রগাঢ় ভালোবাসা, একই সাথে বাবার কাজের উপর অপার আস্থা রাখার মাধ্যমে। ডাটা যেই তথ্য দেয় সেটাই সত্যি, হুজুররা কী বললো তা নয়- এই সহজ বাক্যটা আমরা সবাই এখনও গ্রহণ করে উঠতে পারিনি, যা পেরেছিল এনি। তার মৃত্যু ডারউইনের জীবনে প্রবল প্রভাব ফেলবে এটাই বাস্তবতা, কিন্তু তাই বলে ভূত হয়ে!!! </p>
<p><img src="http://creationthemovie.com/assets/733/Darwin+tell+Ammie+a+story.jpg" alt="" /></p>
<p>যেখানে ডারউইনের তত্ত্ব আত্মা, ঈশ্বর এইসব দুই নম্বরী মানুষের বানানো জিনিসকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করে সমাজ থেকে সেখানে সেই লোকের জীবনী বানানো হবে এনির ভূতকে কেন্দ্র করে- এটা কীভাবে মেনে নেওয়া যায়!!  ডারউইনের কীভাবে বই লিখেছিলেন, কোন কোন জিনিস তাকে প্রভাবিত করেছিল এই ধরণের চমকপ্রদ ব্যাপারে সিনেমাটির আগ্রহ দেখা যায়নি যতটা দেখা গিয়েছে এনির প্রতি। <a href="http://blogs.sciencemag.org/origins/2009/09/movie-review-creation-lacks-sp.html">সাইন্স ম্যাগাজিনের রিভিউ কথাটা আরও ভালোভাবে গুছিয়ে বলেছে- </a></p>
<blockquote><p>Creation’s larger problem stems from the decision to focus on a narrow slice of Darwin’s life, arguably one of the least interesting. </p></blockquote>
<p>হাক্সলির চমৎকার উক্তি দিয়ে শুরু করা ছবিটি সবচেয়ে বেশী আহলাদিত করবে ডারউইন বিরোধীদের। কারণ পুরো ছবিজুড়েই আমার ডারউইনকে মনে হয়েছে এক পাগল গবেষক হিসেবে, যার একমাত্র কাজ মেয়ের ভূতের সাথে কথা বলা, তার কাছ থেকে উপদেশ নেওয়া (এবং এই ভূত কথন পুরোটাই পরিচালকের মাথা থেকে আগত), মেয়ের সাথে কাটানো সময়ের কথা চিন্তা করা, মাঝে মাঝে কবুতর দেখা। আমি নিশ্চিত একজন আস্তিক (এবং সৃষ্টিতত্ত্ব বিশ্বাসী) হাক্সলির মন্তব্যের পর থেকে এই চলচ্চিত্র দেখার পর- বিবর্তন তত্ত্বকে পাগলের ঠাওর বলতে দ্বিধা করবেন না। ক্ষেত্র বিশেষে বেশ কিছু উদ্ভট মন্তব্য দেওয়া হয়েছে ডারউইনের বয়ানে- নীচে তার একটি স্ক্রিন শট দিলাম (৫৩:১২)। <a href="http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2010/01/vlcsnap-215764.JPG"><img src="http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2010/01/vlcsnap-215764-300x123.jpg" alt="vlcsnap-215764" title="vlcsnap-215764" width="300" height="123" class="aligncenter size-medium wp-image-20040" /></a></p>
<p>এখানে ডারউইন বলছেন- লজিক ইজ নট এভ্রিথিং!!!!</p>
<p>এনির মৃত্যুর পর যীশুকে আগে থেকেই কথা দেওয়া অনুযায়ী ডারউইন ধর্মবিশ্বাস ত্যাগ করেন পুরোপুরি। কিন্তু এই ত্যাগ করা তাকে বই লেখায় কোন আলাদা প্রত্যয় যোগান দেয়না। অথচ আমার মনে আছে, ধর্ম বিশ্বাস থেকে বের হয়ে আমি কী মারাত্মক এক অনুভূতির স্বাদ পেয়েছিলাম। মনে হয়েছিল আমি এক কালো নিগার, বিশ বছর পর মালিকের শিকল থেকে মুক্তি পেয়েছি।</p>
<p>এনিকে নিয়ে এভাবে আগাতে আগাতে, স্ত্রীর সাথে পারিবারিক দ্বন্দ দেখাতে দেখাতে হঠাৎ করে সিনেমার শেষ চলে আসে। দেখা যায় ডারউইন দ্রুততার সাথে বইটি লিখে ফেললেন, তারপর সেটি চলে গেলো প্রকাশকের কাছে। সিনেমার মাঝে মাঝে আরও কয়েকসময় বই লেখার ব্যাপার এসেছে তবে সেটি যতোটা না বই লেখার তারচেয়ে বেশী &#8220;রাইটার্স ব্লক&#8221; এর গল্প। সবশেষে একটা নাম্বারিং দিবো আমি সিনেমাটিকে। দশে চার। চার দিলাম কারণ হুদা কামে দেখলে এইটা দেখা যাবে, কিন্তু পরিচালকের এটা মাথায় রাখা উচিত ছিল যেই বিষয় তিনি বাছাই করেছেন- সেটি কোন &#8220;হুদা&#8221; বিষয় নয়।</p>
<p>ডাউনলোড লিংকঃ <a href="http://www.megaupload.com/?d=SLXCS6L0">এখানে। </a><br />
File Name &#8230;&#8230;&#8230;.: Creation.LiMiTED.DVDRip.XviD-ALLiANCE.avi<br />
Total Size (MB) &#8230;.: 699,96 MB<br />
Video Length &#8230;&#8230;.: 01:44:00</p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/nirbaan.wordpress.com/25/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/nirbaan.wordpress.com/25/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/nirbaan.wordpress.com/25/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/nirbaan.wordpress.com/25/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/nirbaan.wordpress.com/25/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/nirbaan.wordpress.com/25/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/nirbaan.wordpress.com/25/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/nirbaan.wordpress.com/25/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/nirbaan.wordpress.com/25/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/nirbaan.wordpress.com/25/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/nirbaan.wordpress.com/25/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/nirbaan.wordpress.com/25/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/nirbaan.wordpress.com/25/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/nirbaan.wordpress.com/25/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=25&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://nirbaan.wordpress.com/2010/01/24/%e0%a6%87%e0%a7%9f%e0%a7%81-%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ad-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%a1-%e0%a6%97%e0%a6%a1-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://1.gravatar.com/avatar/51b943fc8d75b033c488b5b3c4d7d219?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">রায়হান আবীর</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://creationthemovie.com/assets/733/Darwin+tell+Ammie+a+story.jpg" medium="image" />

		<media:content url="http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2010/01/vlcsnap-215764-300x123.jpg" medium="image">
			<media:title type="html">vlcsnap-215764</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ</title>
		<link>http://nirbaan.wordpress.com/2010/01/24/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b6%e0%a7%8b-%e0%a6%85%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5/</link>
		<comments>http://nirbaan.wordpress.com/2010/01/24/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b6%e0%a7%8b-%e0%a6%85%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 23 Jan 2010 19:21:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>raihan abir</dc:creator>
				<category><![CDATA[বইয়ালোচনা]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[বিবর্তন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://nirbaan.wordpress.com/2010/01/24/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b6%e0%a7%8b-%e0%a6%85%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5/</guid>
		<description><![CDATA[আমি কেমন? এথিস্টের বাংলা হিসেবে নাস্তিক শব্দটা পছন্দ না। আমি নিধার্মিক ১। আমার মতো মানুষের অভাব চারপাশে নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমার অনেক বন্ধুকেই আমি এই পথের পথিক দেখেছি, দেখেছি সামনা সামনি, দেখেছি বিভিন্ন ব্লগে। তারপরও দলভুক্ত অনেকের মানসিকতার সাথে আমি নিজের অমিল পাই। আমি সাধারণত ধর্মের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পছন্দ করি। এখানে যুদ্ধ বলতে [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=24&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আমি কেমন?</p>
<p>এথিস্টের বাংলা হিসেবে নাস্তিক শব্দটা পছন্দ না। আমি নিধার্মিক <font size='1'>১</font>। আমার মতো মানুষের অভাব চারপাশে নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমার অনেক বন্ধুকেই আমি এই পথের পথিক দেখেছি, দেখেছি সামনা সামনি, দেখেছি বিভিন্ন ব্লগে। তারপরও দলভুক্ত অনেকের মানসিকতার সাথে আমি নিজের অমিল পাই। আমি সাধারণত ধর্মের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পছন্দ করি। এখানে যুদ্ধ বলতে আমার পথে আসো বলে বোমা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়া বোঝানো হচ্ছেনা।<span id="more-24"></span> বোঝানো হচ্ছে হাজার বছর ধরে বিভিন্ন ধর্ম প্রচারিত মিথ্যা বক্তব্যকে বিজ্ঞানের আলোকে খন্ডন করাকে। এসব বক্তব্য বলার সময় অনেক ধর্ম বিশ্বাসীরা বলে থাকেন, ঈশ্বর যিনি কীনা, সবকিছু সৃষ্টি করেছেন, তাকে সৃষ্টির মাপকাঠিতে মাপা আর বালখিল্যতা একই কথা। এর বিপক্ষে আমার বক্তব্য হচ্ছে, ঈশ্বর সবকিছু সৃষ্টি করেছেন, ভালো কথা, কিন্তু তার কাজ আমাদের পরিদর্শনযোগ্য। যেমন পৃথিবীর সৃষ্টি, প্রাণের সৃষ্টি, নুহের মহাপ্লাবন। যেহেতু এইসব ব্যাপার পরিদর্শনযোগ্য সুতরাং অবশ্যই একে বিজ্ঞানের ছুরির নীচে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পড়তে হবে। যদি সত্যতা যাচাই না করা যায়, তাহলে ধর্মগ্রন্থে উল্লেখিত মিথকে আমি মিথ্যা বলবো (যেমন নূহের প্লাবন। <a href="http://www.mukto-mona.com/project/muktanwesa/1st_issue/mohaplaban_ananta.htm">আজ অবদি এর কোনও প্রমান পাওয়া যায়নি</a>)। সোজা হিসাব।</p>
<p>এখানে সবাই আমাকে পার্টমারা পন্ডিত ভেবে বসতে পারেন। ধর্মকে বিজ্ঞান দিয়ে খন্ডন করার মতো তেমন কোনও লেখা আমি লিখি নাই। দুই একটি চেষ্টা করেছি সত্য, তবে তার বেশীরভাগেরই দৌড় অন্যের ধারণাকে নিজের ভাষায় লেখা পর্যন্ত। বিবর্তন নিয়েও আমার লেখালেখির একটা বিশেষ অংশজুড়ে রয়েছে বন্যা আহমেদ ও অভিজিৎ রায়ের লেখা। লেখা কম হলেও সেটা আমার মানসিকতার ধারণাকে হীনবল করে দেয়না। এই পথে যদি এককোটি মানুষ থেকে থাকেন, তাহলে লাইনের শেষে দাঁড়াতে আমার কোনও আপত্তি নেই। আমি নিদেনপক্ষে সামনের সবার কাজটাকে এপ্রেশিয়েট করতে চাই।</p>
<p>তাহলে অন্য নিধার্মিকদের বৈশিষ্ট্য কী? তারা ধর্মের সাথে একটি ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে চান। এই দলের বিজ্ঞানীরা ধর্ম নিয়ে বেশী তেড়িবেড়ি পছন্দ করেন না। মানুষজনকে আমরা বিজ্ঞানের পথে আনতে পারবোনা, বা সরকার থেকে অনুদান কমে যাবে এই ভয়ে তারা নিজেদের ধারণাটাকে সবসময় নিজের মধ্যে আড়াল করে রাখতেই স্বচ্ছন্দবোধ করেন।</p>
<p>এই ব্যাপারটিকে সত্য বলে মানলেও আমি সেটা নিয়ে বেশি চিন্তিত নই। কারণ আমার মনে হয়, জোর গলায় বললে যে ক্ষতি হবে, না বলার ফলে, ধর্মের অযৌক্তিক চিন্তাধারা মানুষজনকে আরও অন্ধকারে নিয়ে যাবে। ভিক্টর যে স্টেংগরের নতুন বই পড়ছি-<a href="http://www.colorado.edu/philosophy/vstenger/battle.html"> দ্য নিউ এইথিজম</a>। বইটি মুহাম্মদকে উপহার দিয়েছেন, মুক্তমনার সম্পাদক অভিজিৎ রায়। বইয়ের গঠন এবং ছোট ছোট হরফে অনেক অনেক লেখা দেখে আমি ভয় পেয়েছিলাম, প্রথম দেখায় পড়ার আগ্রহ পাই নাই। তারপর সেদিন উত্তরা থেকে আজিজ সুপার মার্কেটে আসার পথে ব্যাগের ভেতরে ফটোকপি করার জন্য রাখা বইটি উলটে পালটে দেখা শুরু করলাম। প্রথম পাতা থেকেই আটকে আছি বইয়ের ভেতর। এই বই আমার জন্যই লেখা হয়েছে।</p>
<p>পদার্থ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী <a href="http://www.en.wikipedia.org/wiki/Victor_J._Stenger">ভিক্টর যে স্টেংগর</a> তার বন্ধু জীববিজ্ঞানী এবং বিবর্তন বিশেষজ্ঞ<a href="http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1_%E0%A6%A1%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8"> রিচার্ড ডকিন্স</a>, বিজ্ঞান লেখক ডেনেন্ট, হ্যারিসকে যেই গোত্রভুক্ত করেছেন অবাক হয়ে খেয়াল করলাম আমি সেই দলে পড়ি।</p>
<blockquote><p>&#8220;Perhaps the most unique position of New Atheism is that faith, which is belief without supportive evidence, should not be given respect, even deference, it obtained in modern society. Faith is always foolish and leads to many of the evils of society. The theist argument that science and reason are also based in faith is suspicious. Faith is the belief in the absence of evidence. Science is the belief in the presence of evidence. And reason is just the procedure by which humans ensure that their conclusions are consistent with the theory that produced them and with the data that test those conclusion&#8221;<font size='1'>২</font>
</p></blockquote>
<p>রিচার্ড ডকিন্স। নিউ এইথিস্ট বা নব্য নিধার্মিক। ১৯৪১ সালে জন্ম নেওয়া এই জীববিজ্ঞানী ১৯৭৬ সালে প্রকাশ করেন&#8221;The Selfish Gene&#8221; বইটি। বিবর্তন আলাদা আলাদা জীবসত্তায় কাজ করেনা, বরঞ্চ কাজ করে মানবকোষে থাকা জীনে- নিজের এই গবেষণালব্ধজ্ঞান প্রকাশের পর প্রথমবারের মতো আলোচনায় আসেন এই গবেষক। ডকিন্স নিজে এই বইটি সম্পর্কে বলেছেন<font size='1'>৩</font>, সেলফিশ জিনে পরিচিত প্রাকৃতিক বিবর্তনের অপরিচিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে (Unfamiliar version of an familiar theory of natural selection)।</p>
<p>দেখা যাচ্ছে, ডকিন্স মনে করতেন সবাই ইতিমধ্যে বিবর্তন বুঝে গেছে। এখন তার কাজ হচ্ছে, এটার বিভিন্ন জটিল বিষয়গুলো আলোচনা করা। এই উদ্দেশ্যে থেকেই ১৯৮২ সালে তিনি প্রকাশ করেন &#8220;The Extended Phenotype&#8221;, ১৯৮৬ তে &#8220;The Blind Watchmaker&#8221;,  ১৯৯৫ এ &#8220;River Out of Eden&#8221;, ১৯৯৬ এ &#8220;Climbing Mount Improbable&#8221;, ২০০৪ এ &#8220;The Ancestor&#8217;s Tale&#8221;।</p>
<p>প্রায় ত্রিশ বছর ধরে বিশাল বিশাল বই লিখে বিবর্তনের কঠিন কঠিন বিষয় বোঝাবার চেষ্টা করতে থাকা ডকিন্স যেদিন হারুন ইয়াহিয়ার ৭৬৪ পাতার &#8220;ATLAS OF CREATION&#8221; হাতে পেলেন তখন তার কেমন লেগেছিল? পাতায় পাতায় ছবি দিয়ে অলংকৃত এই বইটির মাধ্যমে হারুন ইয়াহিয়া বিবর্তন তত্ত্বকে ধুয়ে ফেলতে চেয়েছিলেন মিথ্যার মুত্রস্রোতে। মিথ্যার কিছু নমুনা পাওয়া যাবে এখানে http://richarddawkins.net/articles/3239।</p>
<p>তবে হারুন ইয়াহিয়া বই লিখে বিবর্তনকে ধৌত করতে না পারলেও হয়তো রিচার্ড ডকিন্সের মাঝে একটি মারাত্মক উপলব্ধি জাগাতে পেরেছিলেন। বিবর্তন নিয়ে প্রচুর গভীর আলোচনা করলেও সাধারণ মানুষকে প্রমান সহকারে বিবর্তন বোঝাবার জন্য তিনি তেমন কিছু করেন নি<font size='1'>৪</font>।</p>
<p>আর এই তেমন কিছুই করা হয়নি থেকে ২০০৯ সালে প্রকাশ হয়, &#8220;The Greatest Show On Earth&#8221;। এই বইটি আমাদের মতো নব্য বিবর্তন পাঠকদের ধরে ধরে বিবর্তন শেখাবার জন্য লেখা। বিবর্তন কী, বিবর্তন কীভাবে কাজ করে, ফসিল কী, ফসিল দেখে আমরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারি, মিসিং লিংক কী, এইসব সাধারণ বিষয় ছাড়াও বর্তমানে বিবর্তন নিয়ে গবেষণা কতদূর, ডারউইনকে ছাড়িয়েও নতুন কী জিনিস জানতে পারলাম আমরা (এভোলিউশনারি ডেভলোপমেন্ট) ইত্যাদি সকল বিষয় এক করা হয়েছে।</p>
<p><img src="http://upload.wikimedia.org/wikipedia/en/e/eb/The_Greatest_Show_on_Earth.JPG" alt="" /></p>
<p>রিচার্ড ডকিন্স তাড়াহুড়া করেননা। একটি নির্দিষ্টি বিষয়ে যেতে হলে তিনি প্যারাসুট দিয়ে সেখানে জাম্প না করে হেঁটে হেঁটে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে সিদ্ধান্ত জানান। এর ফলে পাঠক হিসেবে অনেকসময় বিরক্ত লাগলেও আদতে লাভ হয়, বক্তব্য মাথায় গেথে যায়। গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ আমার পড়া ডকিন্সের প্রথম বই, এবং আমার উপলদ্ধিটা এমন।</p>
<p>বইটিতে সর্বমোট বারোটি চ্যাপ্টার আছে- </p>
<p>   1. Only a theory?<br />
   2. Dogs, cows and cabbages (artificial selection)<br />
   3. The primrose path to macro-evolution<br />
   4. Silence and slow time (discusses the age of the Earth and the geological time scale)<br />
   5. Before our very eyes (examples of evolution observed)<br />
   6. Missing link? What do you mean, &#8216;missing&#8217;? (the fossil record)<br />
   7. Missing persons? Missing no longer (human evolution)<br />
   8. You did it yourself in nine months (a statement attributed to J. B. S. Haldane; discusses developmental biology)<br />
   9. The ark of the continents (biogeography and plate tectonics)<br />
  10. The tree of cousinship (the tree of life, homology and analogy)<br />
  11. History written all over us (vestigiality and unintelligent design)<br />
  12. Arms races and &#8216;evolutionary theodicy&#8217; (coevolution and evolutionary arms races)<br />
  13. There is grandeur in this view of life (based on the final passage of On the Origin of Species)</p>
<p>বিবর্তনে আগ্রহ আছে এমন সবার জানার জন্য একটি উপযুক্ত বই গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ। বই সম্পর্কে ডকিন্সের একটি উদ্ধৃতি দিয়েই শেষ করা যাক-</p>
<blockquote><p>&#8220;Evolution is a fact. Beyond reasonable doubt, beyond serious doubt, beyond sane, informed, intelligent doubt, beyond doubt evolution is fact. The evidence for evolution is as at least strong as the evidence for the Holocaust, even allowing eye witnesses to the Holocaust [[...]] We know this because a rising flood of evidence supports it. And this book will demonstrate it. No reputable scientist disputes it, and no unbiased reader will close the book doubting it. &#8221;
</p></blockquote>
<p>কথা সত্যি। ডকিন্স ধর্মগুরুদের মতো আমি সত্যি, আমি সত্যি বলে শুধু চিৎকার করে ক্ষান্ত দেননি, কেন সত্যি তার পেছনে কারণ দেখিয়ে গিয়েছেন।</p>
<p>প্রাপ্তিস্থানঃ<br />
১। <a href="http://www.amazon.com/Greatest-Show-Earth-Evidence-Evolution/dp/1416594787">আমাজন। </a>মূল্য বিশডলার। বাংলাদেশে থাকলে অর্ডার দেবার পর হাতে আসতে মোটামুটি ২০ দিন সময় লাগে।<br />
২। নীলক্ষেতের দুইতলায়, ফ্রেন্ডস।</p>
<p>টিকাঃ</p>
<p>১। নিধার্মিক শব্দটা আমার তৈরী না। আবিষ্কারক, সংসারে এক সন্ন্যাসী।<br />
২। দ্য নিউ এথিজম। পৃষ্ঠাঃ ১৩<br />
৩। গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ- প্রিফেইস।<br />
৪। নিজের ধারণা। অন্য কারণেও হওয়া স্বাভাবিক। কারণ তাকে প্রায়ই প্রচুর অনভিজ্ঞ ক্রিয়েশনিস্টদের উদ্ভব প্রশ্নের সন্মুখীন হতে হয়।</p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/nirbaan.wordpress.com/24/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/nirbaan.wordpress.com/24/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/nirbaan.wordpress.com/24/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/nirbaan.wordpress.com/24/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/nirbaan.wordpress.com/24/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/nirbaan.wordpress.com/24/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/nirbaan.wordpress.com/24/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/nirbaan.wordpress.com/24/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/nirbaan.wordpress.com/24/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/nirbaan.wordpress.com/24/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/nirbaan.wordpress.com/24/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/nirbaan.wordpress.com/24/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/nirbaan.wordpress.com/24/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/nirbaan.wordpress.com/24/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=24&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://nirbaan.wordpress.com/2010/01/24/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b6%e0%a7%8b-%e0%a6%85%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://1.gravatar.com/avatar/51b943fc8d75b033c488b5b3c4d7d219?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">রায়হান আবীর</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://upload.wikimedia.org/wikipedia/en/e/eb/The_Greatest_Show_on_Earth.JPG" medium="image" />
	</item>
		<item>
		<title>লারা</title>
		<link>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/20/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/20/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 20 Dec 2009 16:45:20 +0000</pubDate>
		<dc:creator>raihan abir</dc:creator>
				<category><![CDATA[বইয়ালোচনা]]></category>
		<category><![CDATA[ফারিয়া হোসেন লারা]]></category>
		<category><![CDATA[বিমান দূর্ঘটনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেলিনা হোসেন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/20/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/</guid>
		<description><![CDATA[১ … সেদিন ক্যাফের সামনে বসে বসে আড্ডা পিটাচ্ছি। কথায় কথায় একজন বললো, আমি ইদানিং খুব বই টই পড়তেছি, তারপর কেমন যেন বদলে টদলেও যাচ্ছি, মুখ দিয়ে খ্রাপ কথা বের হয় না তেমন একটা। আমি মিটিমিটি হাসি। সবগুলো সত্য না হলেও প্রথমটা মোটামুটি সত্যি। কলেজে অনেক বই পড়েছি, কারণ বিনোদনের একমাত্র উৎস ছিল বই। প্রেপে [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=21&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>১ …</p>
<p>সেদিন ক্যাফের সামনে বসে বসে আড্ডা পিটাচ্ছি। কথায় কথায় একজন বললো, আমি ইদানিং খুব বই টই পড়তেছি, তারপর কেমন যেন বদলে টদলেও যাচ্ছি, মুখ দিয়ে খ্রাপ কথা বের হয় না তেমন একটা। আমি মিটিমিটি হাসি। সবগুলো সত্য না হলেও প্রথমটা মোটামুটি সত্যি।</p>
<p>কলেজে অনেক বই পড়েছি, কারণ বিনোদনের একমাত্র উৎস ছিল বই। প্রেপে গল্পের বই, একাডেমি টাইমে গল্পের বই, শুক্রুবারের অলস দুপুরে গল্পের বই। তারপর আইইউটিতে এসে পিসি সর্বস্ব জীবন গ্রহণ করার পর বই পড়ার অভ্যাস জলাঞ্জলি গেল তুরাগের জলে। ল্যানে মাল্টিপ্লেয়ার গেমস, ফাঁকে ফাঁকে ভালো কিংবা সামাজিক চলচ্চিত্র, প্রচুর পরিমানে ঘুম এই সব কিছুর মধ্যে আমার বই পড়ার অভ্যেসটা স্রোতের অনুকূলে ভেসে যেতে থাকলো অনেক অনেক দূরে।<span id="more-21"></span></p>
<p>দ্বিতীয় বর্ষের শেষদিকে যখন ব্লগ নামক এক জগতের সন্ধান পেলাম তখন বাংলা পড়ার অভ্যাস একেবারেই শেষ। তাই প্রথমদিকে আমার ব্লগ পড়া মানেই মন্তব্য করবো এই উদ্দেশ্যে লেখার উপর দিয়ে হালকা উড়ে যাওয়া। উড়ে যেতে যেতেই অভ্যাসটা ফিরে এলো আবার, বাংলা পড়ার অভ্যাস। কিন্তু তা শুধু ব্লগেই। আমি পুরোদস্তুর ব্লগ পাঠক হয়ে গেলাম, প্রিন্টেড বই হাতের কাছে তেমন একটা পাইনা, পেলেও পড়ার ধৈর্য্য থাকে না, শ’ শ’য়ে পাতা দেখে শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলি, একটা সময় ছিল যখন এক কি দুই দিনে তিন চারশ পাতা পড়ে ফেলতে পারতাম।</p>
<p>আমার খুব প্রিয় একজন ব্লগার আছেন। অসম্ভব সুন্দর গল্প লিখেন। মাঝখানে তিনি লাপাত্তা অনেকদিন। আগে প্রতিদিন একটা করে অসম্ভব ভালো গল্প লিখে ভাসিয়ে দিতেন সব কিছু এখন আর তিনি লিখেন না। ছয় মাস পর তার সাথে দেখা হলো, বললাম, এতোদিন কোথায় ছিলেন? জবাবে তিনি জানালেন, সব বাদ দিয়ে বই পড়েছেন। পৃথিবীতে এতো এতো ভালো বই আছে, এতো এতো ভালো লেখা আছে অথচ জীবনটা বড় ছোট্ট। তিনি এই জীবনটা বই পড়েই কাটিয়ে দিতে চান, যতটা সম্ভব।</p>
<p>গুরু টাইপ মানুষ। আমারও মনে হলো তাই তো। এই লোক কত বই পড়ে এই কথা বললেন, আর আমি তো ছানাপোনা, বলার মতো কিছুই পড়ি নাই। ঠিক করলাম আমিও আবার শুরু করবো। স্বপ্নবাজ মানুষ আমি, স্বপ্ন দেখেই ক্ষ্যামা দেই, স্বপ্নপূরণ কর্মে ঝাঁপাই না পারতপক্ষে। কিন্তু এইবার সিরিয়াস। বই মেলা থেকে কিছু বই কিনলাম। আড়াই হাজার টাকা দিয়ে মাস চালাতে হয়, সুতরাং বাক্সভর্তি বই কেনার সামর্থ্য নেই, তার অল্প কিছুতেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো।</p>
<p>২ …</p>
<p>স্যামের সাথে ঘুটাঘুটি চলছিল অনেক অনেকদিন ধরে। এই বাধা, এই সমস্যা, ব্লা ব্লা অনেক কিছু ফানুসের মতো উড়ে গেলো পঁচিশে ফেব্রুয়ারীর কারণে। দুঃখজনক, অনাকাংখিত তবুও এটাই বাস্তব।</p>
<p>তারপর আমাদের সতেই মার্চ দেখা হলো। মেয়েদের পকেট ভর্তি সবসময়ই টাকা থাকে বোধ হয়। ও আমাকে দুইটা বই কিনে দিলো। শাহাদুজ্জামানের ক্রাচের কর্ণেল, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের খোয়াবনামা। যদিও দুইটা বইই ও কিনেছিল কিন্তু আমি ওকে “খোয়াবনামা” উপহার দেওয়ার অভিনয় করলাম, আর ও আমাকে সত্যি সত্যি দিলো “ক্রাচের কর্নেল”।</p>
<p>আমার বাংলা হাতের লেখা খারাপ ছিল। কিন্তু কলেজে যাবার পর যাদের হাতের লেখা সুন্দর, আমি তাদের বিভিন্ন অক্ষর অনুকরণ করতাম, তারা কীভাবে মাত্রা দেয় দেখতাম। এমন করতে করতে একদিন আমার হাতের লেখা সুন্দর হয়ে গেলো। আমি মানুষের ভালো জিনিস বিনা দ্বিধায় গ্রহণ করতে পারি। স্যামের সাথে থাকার অন্যতম কারণ হলো এইটাই। দুই বছরের বেশি সময় ওর সাথে থেকে আমি দেখেছি আসলে ওর কাছ থেকে শেখার মতো অনেক অনেক কিছুই আছে। আমি খাদযুক্ত মানুষ, ওর সাথে থেকে থেকে ওর ভালো অভ্যাসগুলো রপ্ত করে বিশুদ্ধ হতে চাই।</p>
<p>আমাদের আড্ডার খুব প্রিয় একটা জায়গা বাউনিয়া। মাথার উপর দিয়ে প্লেন চলে যায় আর আমরা নানা বিষয় নিয়ে কথা বলি। ও কোনদিন সামান্যতম ময়লা যেখানে সেখানে ফেলেনি সেকথা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যিনি দেশপ্রেমের কথা বলে মুখে ফেনা তুলেন- অথচ তার বাসায় স্যামরা যাবার পর আপ্যায়ন করা হলো পাকিস্তানি সেজান জুস দিয়ে। আর উপহার পাওয়া একটা জামার কাপড় যেটা পাকিস্তানী অফিসাররা দিয়েছিল বাংলাদেশ ভ্রমণে এসে সেটা ও কখনো পরে না, অনেক মজা তবুও লেয়স চিপস খায়না। এসব কথা কিংবা পারতোপক্ষে অকথার ভীড়ে আমাদের মাথার চুল উড়িয়ে প্লেন যেতে থাকে। এমন সময় ও বলে উঠে- ওর খুব ইচ্ছে লারা হবার।</p>
<p>৩ …</p>
<p>লারা আমার স্মৃতিতে ছিল হাজারটা খবরের ভীড়ে একটা ছোট্ট খবর হয়ে- একজন বাংলাদেশি মহিলা পাইলট, বিমান দূর্ঘটনায় যে মৃত্যুবরণ করেছিল। খবরটা যখন শুনি তখন সবকিছু ছাপিয়ে আমার মনে প্রশ্ন হয়েছিল, আচ্ছা মেয়েটার নাম লারা কেন?</p>
<p>এই প্রশ্নের উত্তর পাই পরের দিন। স্যাম আমাকে লারার মা, সেলিনা হোসেনের লেখা “লারা” বইটা দেবার পর। জানতে পারি ব্রায়ান লারা নয়, লারার নাম রাখা হয়েছে “ডক্টর জিভাগো” উপন্যাসের নায়িকা লারার নামে। উপন্যাসের লারা যেমন পড়াশোনায় রাতদিন খাটতে পারে, তেমন শারীরিক কাজেও ওর জুড়ি নেই। পরিশ্রম ওর কাছে সহজ ব্যাপার। লারার সব কিছুর মধ্যেই সুষমা আছে, নান্দনিক বৈশিষ্ট আছে। এটা লারা’র মতো মেয়ের পক্ষেই সম্ভব।</p>
<p>সেলিনা হোসেনের লারা কিংবা আমাদের সবার লারাও তাই। স্বল্প সময় নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিল সে। পড়াশোনা করেছে, সাংবাদিকতা করেছে, এইডস নিয়ে প্রান্তিক এলাকায় কাজ করেছে, দোভাষি হয়ে টাকা উপার্জন করে সে টাকায় পাইলট প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে।</p>
<p>নানা দেশ ঘুরে, নানা কাজ করে সে জীবনটাকে ভীষণভাবে উপভোগ করেছে। পৃথিবীর অসংখ্য মানুষ যা করার স্বপ্ন দেখেই দিন কাটিয়ে দেয়, সে সেই স্বপ্নগুলো ধুমধাম বাস্তবায়িত করেছে। তাই এয়ার পারাবতের কর্মকর্তাদের অবহেলায় এই মেয়েটা মরে যাবার পরও আমার তেমন একটা দুঃখ লাগে না, কারণ আমি জানি সে “ডক্টর জিভাগো”র লারার চেয়ে কোন অংশে কম তো নয়ই বরঞ্চ আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য একটা হিংসা, একজন দেবী। আমরা তার তিনগুন সময় পেলেও কোনদিন তারমতো হতে পারবো না।</p>
<p>তাও ভালো উপন্যাসটা পড়া হলো, তা না হলে লারা’র মতো একজন আমার কাছে “কেন তার নাম একজন ক্রিকেট খেলোয়াড়ের নামে?” হয়েই বেঁচে থাকতো আজীবন। এখন আমি লারা কে চিনি, তার স্বপ্নগুলোকে অনুভব করতে পারি … লারা বেঁচে থাকুক, আমাদের কতো অসংখ্য পাঠকের হৃদয়ে। এতোটুকু জায়গা তো আমরা তাকে দিতেই পারি, তাই না …</p>
<p><a href="http://www.cadetcollegeblog.com/raihanabir/11764" target="_blank">সিসিবিতে প্রকাশিত -</a></p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/nirbaan.wordpress.com/21/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/nirbaan.wordpress.com/21/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/nirbaan.wordpress.com/21/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/nirbaan.wordpress.com/21/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/nirbaan.wordpress.com/21/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/nirbaan.wordpress.com/21/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/nirbaan.wordpress.com/21/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/nirbaan.wordpress.com/21/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/nirbaan.wordpress.com/21/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/nirbaan.wordpress.com/21/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/nirbaan.wordpress.com/21/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/nirbaan.wordpress.com/21/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/nirbaan.wordpress.com/21/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/nirbaan.wordpress.com/21/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=21&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/20/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://1.gravatar.com/avatar/51b943fc8d75b033c488b5b3c4d7d219?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">রায়হান আবীর</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>ঘৃণাবাক্য</title>
		<link>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/15/%e0%a6%98%e0%a7%83%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
		<comments>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/15/%e0%a6%98%e0%a7%83%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 15 Dec 2009 15:52:17 +0000</pubDate>
		<dc:creator>raihan abir</dc:creator>
				<category><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://nirbaan.wordpress.com/?p=17</guid>
		<description><![CDATA[আমি “ঘৃণা” করি তাদের, যারা বাংলাদেশকে পাকিস্তান করেই রাখতে চেয়েছিল; আমি “ঘৃণা ঘৃণা” করি তাদের, যারা স্বাধীন বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বা ছোট্ট পাকিস্তান/ সৌদিআরব বানাতে চায়; আমি “ঘৃণা ঘৃণা ঘৃণা” করি তাদের,যারা আমজনতা ছদ্মবেশে শর্টকার্টে বেহেশত পাবার লোভে সেই সাম্প্রদায়িকতাকে চেতন কিংবা অবচেতন ভাবে সমর্থন করে।<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=17&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আমি “ঘৃণা” করি তাদের, যারা বাংলাদেশকে পাকিস্তান করেই রাখতে চেয়েছিল; আমি “ঘৃণা ঘৃণা” করি তাদের, যারা স্বাধীন বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বা ছোট্ট পাকিস্তান/ সৌদিআরব বানাতে চায়; আমি “ঘৃণা ঘৃণা ঘৃণা” করি তাদের,যারা আমজনতা ছদ্মবেশে শর্টকার্টে বেহেশত পাবার লোভে সেই সাম্প্রদায়িকতাকে চেতন কিংবা অবচেতন ভাবে সমর্থন করে।</p>
<p><img alt="" src="http://photos-b.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs024.snc3/11162_237048868495_775638495_4325563_2204960_n.jpg" class="aligncenter" width="300" height="399" /></p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/nirbaan.wordpress.com/17/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/nirbaan.wordpress.com/17/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/nirbaan.wordpress.com/17/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/nirbaan.wordpress.com/17/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/nirbaan.wordpress.com/17/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/nirbaan.wordpress.com/17/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/nirbaan.wordpress.com/17/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/nirbaan.wordpress.com/17/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/nirbaan.wordpress.com/17/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/nirbaan.wordpress.com/17/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/nirbaan.wordpress.com/17/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/nirbaan.wordpress.com/17/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/nirbaan.wordpress.com/17/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/nirbaan.wordpress.com/17/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=17&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/15/%e0%a6%98%e0%a7%83%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://1.gravatar.com/avatar/51b943fc8d75b033c488b5b3c4d7d219?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">রায়হান আবীর</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://photos-b.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs024.snc3/11162_237048868495_775638495_4325563_2204960_n.jpg" medium="image" />
	</item>
		<item>
		<title>যুদ্ধাপরাধীনামাঃ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ (বাচ্চু রাজাকার)</title>
		<link>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/14/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8/</link>
		<comments>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/14/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 14 Dec 2009 16:21:47 +0000</pubDate>
		<dc:creator>raihan abir</dc:creator>
				<category><![CDATA[যুদ্ধাপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[বাচ্চু রাজাকার]]></category>
		<category><![CDATA[ভন্ডামি]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধাপরাধী]]></category>
		<category><![CDATA[রাজাকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://nirbaan.wordpress.com/?p=9</guid>
		<description><![CDATA[শুরুর কথা বেসরকারী টিভি চ্যানেল এনটিভির &#8220;আপনার জিজ্ঞাসা&#8221; অনুষ্ঠানের আলোচক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মানুষের ইসলাম সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাব দিয়ে ধার্মিক মহলে বেশ জনপ্রিয় হয়েছেন তিনি। মাওলানাকে আমিও চিনেছি এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই। গত কয়েকদিন আগে বিভিন্ন মানুষের কাছে এই মাওলানা সম্পর্কিত স্তুতি বাক্য শুনে আমার ইচ্ছে হলো, তার সম্পর্কে একটু খোঁজ খবর [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=9&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong>শুরুর কথা</strong></p>
<p>বেসরকারী টিভি চ্যানেল এনটিভির &#8220;আপনার জিজ্ঞাসা&#8221; অনুষ্ঠানের আলোচক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মানুষের ইসলাম সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাব দিয়ে ধার্মিক মহলে বেশ জনপ্রিয় হয়েছেন তিনি। মাওলানাকে আমিও চিনেছি এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই। গত কয়েকদিন আগে বিভিন্ন মানুষের কাছে এই মাওলানা সম্পর্কিত স্তুতি বাক্য শুনে আমার ইচ্ছে হলো, তার সম্পর্কে একটু খোঁজ খবর নেবার। যেহেতু তার দাঁড়ি আছে এবং বয়স দেখলে বোঝা যায় মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি যুবক ছিলেন তাই খোঁজখবর নেওয়া মানে হলো, তিনি রাজাকার বা এই জাতীয় কোন কিছুর সাথে জড়িত ছিলেন কিনা, স্বাধীনতা যুদ্ধের তার ভূমিকা কী ছিল সে সম্পর্কে জানা। জানার উদ্দেশ্যে আমি বিভিন্ন মানুষকে মেইল দেওয়া শুরু করি। মেইলা মেইলি শেষ হঠাৎ মনে হয়, কী নির্বোধ আমি গুগলকেই জিজ্ঞেস করা হয়নি। তারপর গুগলে মাওনালা আবুল কালাম আজাদ রাজাকার লিখে সার্চ দিতেই বের হয়ে এলো অসংখ্য তথ্য।<span id="more-9"></span></p>
<p><img src="http://taiyabs.files.wordpress.com/2009/04/abul-kalam-azad.jpg?w=370" alt="মাওলানা আবুল কালাম আজাদ" /></p>
<p>লেখা শুরুর আগে একটা ঘটনা বলি। এবারের রোজায় আইইউটির ইসলামী স্ট্যাডিজ সোসাইটির উদ্যোগে এক ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়। ইফতার পার্টির আগের দিন দুপুরে স্পন্সর হিসেবে ওয়ামি (WAMY) এর নাম জানতে পেরে আমি, আমার কয়েকজন সহপাঠী ও জুনিয়র মিলে নেট থেকে এবং পরিচিত কয়েকজনকে ফোন দিয়ে এদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করি। সব তথ্যগুলো এক করে রাতে এই মর্মে পোস্টার লেখা লেখা হয়, <a href="http://militantislammonitor.org/article/id/2473">ওয়ামি একটি মুসলিম টেররিস্ট ফান্ডিং গ্রুপ</a>। মধ্যপ্রাচ্যের এই ইয়ুথ অর্গানাইজেশন বিশ্বের বিভিন্ন টেররিস্ট ফ্যানাটিক গ্রুপকে সরাসরি অর্থ সাহায্য প্রদান করে থাকে। এছাড়াও বাংলাদেশ ইসলামী শিবিরের সাথে তাদের চমৎকার সুসম্পর্ক বিদ্যমান [[<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Bangladesh_Islami_Chhatra_Shibir">সূত্রঃ শেষ প্যারা</a>]]। ওয়ামির উত্তরার অফিসে শিবিরের বিভিন্ন মিটিং হয়ে থাকে, এছাড়াও যেসব জায়গায় শিবির নিজ নামে প্রবেশ করতে পারেনা সেসব জায়গায় মূলত তারা ওয়ামির ব্যানার ব্যবহার করে থাকে।</p>
<p>আমাদের এই পোস্টারিং এ বিব্রত ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা (পড়ুন শিবিরপ্রাণ) প্রচার চালায়, আমরা মূলত ইসলাম ধ্বংসের জন্য এই পোস্টারিং করেছি। আমাদের সকল তথ্যই ভুয়া। তথ্যগুলো ইন্টারনেটে ইহুদি- খ্রিস্টানদের সাইট থেকে কপি করা, যাদের একমাত্র কাজ হলো এইসব ভুয়া তথ্য প্রচার করে শান্তির ধর্ম ইসলামের সেবাদানকারী একটি প্রতিষ্ঠানের মুখে কালিমা লেপন করা।</p>
<p>এই ঘটনা এখানে বলার মূল উদ্দেশ্য হলো, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে নিয়ে লেখা এই প্রবন্ধ অনেকেরই ভালো লাগবেনা। যেহেতু লেখাটির প্রধান সূত্র ইন্টারনেটের বিভিন্ন পেপার পত্রিকা, মূলধারার বিভিন্ন পত্রিকার অনলাইন ভার্সন, ব্লগ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ফোরাম, অনেকেই তাই তথ্যগুলোকে ষড়যন্ত্রমূলক আখ্যা দিয়ে বাতিল করে দিবেন। তারা বাদে বাকি সবার উদ্দেশ্যে বলছি তথ্যগুলো নেট থেকে গ্রহণ করা হলেও, যতদূর সম্ভব অনান্য সুত্রের সাথে যাচাই করে দেখা হয়েছে, অতিরঞ্জিত ব্যাপারগুলো বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে, সর্বোপরি পাঠকের জানার সুবিধার্থে মূল লিংকটি সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে, এছাড়া বইয়ের পৃষ্ঠা, মামলা নং ও উল্লেখিত হয়েছে।<br />
<strong><br />
মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার</strong></p>
<p>ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের বড় খাড়দিয়া গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ তার এলাকায় পরিচিত &#8220;খাড়দিয়ার বাচ্চু&#8221; নামে। দরিদ্র পরিবারে বড় হওয়া বাচ্চু মাদ্রাসা শিক্ষা শেষ ভর্তি হন ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজে। বাকপটুতার কারণে কলেজে সহজেই পরিচিতি পেয়ে যান বাচ্চু। কলেজে থাকাকালীন সময়েই শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। পাকি সেনাদের সাথে সখ্যতা গড়ে বাচ্চু কবজা করেন প্রচুর অস্ত্র, গোলাবারুদ। এই গোলাবারুদ, অস্ত্র নিয়ে তিনি খাড়দিয়ায় তৈরি করেন নিজস্ব এক মিলিটারি বাহিনী। গ্রামের প্রায় শতাধিক যুবককে নিয়ে তৈরি এই মিলিটারি বাহিনী স্থানীয়দের কাছে পরিচিত ছিল, &#8220;খাড়দিয়ার মেলিটারি&#8221; নামে। পাক- বাহিনীর দোসর এই বাহিনী খাড়দিয়ার আশে পাশের প্রায় ৫০ গ্রাম জনপদে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে চালিয়েছিল তান্ডবলীলা। স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, এই বাচ্চু ও তার বাহিনী একাত্তরে নৃসংশ ভাবে হত্যা করে হাসামদিয়ার হরিপদ সাহা, সুরেশ পোদ্দার, মল্লিক চক্রবর্তী, সুবল কয়াল, শরৎ সাহা, শ্রীনগরের প্রবীর সাহা, যতীন্দ্রনাথ সাহা, জিন্নাত আলী ব্যাপারী, ময়েনদিয়ার শান্তিরাম বিশ্বাস, কলারনের সুধাংশু রায়, মাঝারদিয়ার মাহাদেবের মা, পুরুরার জ্ঞানেন, মাধব, কালিনগরের জীবন ডাক্তার, ফুলবাড়িয়ার চিত্তরঞ্জন দাস, ওয়াহেদ মোল্লা, দয়াল, মোতালেবের মা, যবদুল, বাদল নাথ, আস্তানার দরবেশ সহ বিভিন্ন জনপদের প্রায় শতাধিক মানুষকে। <a href="http://media.somewhereinblog.net/images/omipialblog_1191090345_2-MAKA1_b.jpg">[[১]]</a></p>
<p>ফতোয়া সম্পর্কিত হাইকোর্টের যুগান্তকারী রায়ের রিরুদ্ধে লিভ আবেদন কারী ও বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ বাচ্চুর বর্তমান অবস্থা দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন, নগরকান্দা উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের নতিবদিয়া গ্রামের শোভা রানী বিশ্বাস। একাত্তরে তিনি এই আবুল কালাম আজাদের কাছে হয়েছিলেন ধর্ষিত। এ গ্রামেরই নগেন বিশ্বাসের স্ত্রী দেবী বিশ্বাসেরও সম্ভ্রম লুটেছিলেন বাচ্চু। নতিবদিয়ার প্রবীন দুই মৎস্যজীবি নকুল সরদার ও রঘুনাথ দত্ত ২০০০ সালে প্রকাশিত জনকন্ঠের &#8220;তুই রাজাকার&#8221; শীর্ষক ধারাবাহিক রিপোর্টের রিপোর্টার প্রবীর সিকদারকে জানান <a href="http://media.somewhereinblog.net/images/omipialblog_1191090220_1-MAKA1_a.jpg">[[২]]</a>, লুটপাট- হামলা না করার শর্তে আমরা চাঁদা তুলে বাচ্চুকে দু&#8217;হাজার চার শ&#8217; টাকা দিয়েছিলাম। তারপরও সে লুটপাট করেছে, গ্রামের দুই নববধূর ইজ্জত হরণ করেছে। পুরুরা গ্রামের জ্ঞানেন জীবন বাঁচাতে পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে কচুরিপানার নীচে আশ্রয় নিয়েছিল। বাচ্চু সেখানেই তাকে নৃসংশ ভাবে হত্যা করে। বাচ্চুর রাইফেলের গুলিতে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারান ফরিদপুরের ফুলবাড়িয়ার চিত্তরঞ্জন দাস। সেদিন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী জ্যোৎস্না পালিয়ে রক্ষা পেলেও একাত্তরে বিনা চিকিৎসায় মারা যায় তার তিন শিশু সন্তান। স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘদিন জ্যোৎস্না শুধু তার স্বামী হন্তারকের বিচার চেয়েছিলেন মনে মনে। অবশেষে এ বছর ৩ মে জ্যোৎস্না রানী দাস রাজাকার মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও তার শ্যালক মোহাম্মদ কাজীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ মামলা করেন। <a href="http://www.unsnewsbd.com/bangla/news.php?news_id=58">[[৩]]</a></p>
<p><img src="http://photos-g.ak.fbcdn.net/photos-ak-snc1/v3778/143/78/510284120/n510284120_1764733_7066086.jpg" alt="" width="604" height="467" /></p>
<p>এছাড়াও ২০ এপ্রিল সালথার পুরুরা গ্রামের ভক্ত রঞ্জন বিশ্বাস (৬৫) মাওলানার নামে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হত্যা, লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে <a href="http://www.priyoaustralia.com.au/readers-link/43406.html/">[[৪]]</a>। মাওলানা ছাড়াও তার শ্যালক মোহাম্মদ কাজীসহ অজ্ঞাত আরও ১০/ ১২ জনকে আসামী করে দায়ের করা এই মামলার আদালত ও এজহার সূত্রে বাদী পক্ষ থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের পহেলা জ্যৈষ্ঠ দুপুর ১টায় জেলার সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের পুররা নমপাড়া গ্রামে আবুল কালাম আজাদ ও তার শ্যালক মোহাম্মদ কাজীসহ ১০/১২ রাজাকার সশস্ত্র অবস্থায় বাড়ি ঘেরাও করে। এ সময় তার বাবা মাধব চন্দ্র বিশ্বাস পালাতে গেলে আবুল কালাম আজাদ তার হাতে থাকা রাইফেল দিয়ে গুলি করে তাকে হত্যা করে। মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন মাধব চন্দ্রের বাড়িতে আসা (আত্মীয়) জ্ঞানান্দি বিশ্বাসকে আবুল কালাম আজাদ, শ্যালক মোহাম্মদ কাজী ও তার সঙ্গীরা নিষ্ঠুরভাবে গুলি করে হত্যা করে। পরে তারা তার প্রতিবেশী মন্টু বকসির বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে চলে যায়। মামলায় বলা হয়, আসামিরা মাধব চন্দ্র বিশ্বাস, জ্ঞানান্দি বিশ্বাসকে হত্যা করা ছাড়াও নগরকান্দার ওহাব সরদার, মো. টুকু মোল্লা, কাঞ্চুন ফকির, আ. আদম মোল্লা, আ. হাচেন মিয়াসহ বহু মুক্তিযোদ্ধাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। আসামিরা মুক্তিযোদ্ধা চলাকালে পাক হানাদারদের সঙ্গে আঁতাত করে এলাকার মুক্তিবাহিনী ও নারীদের ধরে পাক সেনাদের কাছে তুলে দিতো। পরে জেলা জুডিশিয়াল কোর্টের প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বিচারক মোতাহারাত আক্তার ভূইয়া সালথা থানাকে মামলা হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন।</p>
<p><a href="http://bakalam.blogspot.com/2008/11/blog-post.html">সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম এর দেওয়া ৫০ যুদ্ধাপরাধীর তালিকা</a>য় ৪২ নম্বরে থাকা মাওলানা আবুল কালাম আজাদ সম্পর্কে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার <strong>আসামি বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর মোহাম্মদ ক্যাপ্টেন বাবুল</strong> সমকালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, ‘বাচ্চু রাজাকার ’৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাকে পাকবাহিনীর কাছে ধরিয়ে দিয়েছে এবং আর্মি ক্যাম্পে গিয়ে বন্দিদের মধ্য থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের শনাক্ত করেছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে মেয়েদের ধরে এনে বাচ্চু রাজাকার পাক সেনাদের ক্যাম্পে সাপ্লাই দিত। ’৭১ সালের মাঝামাঝি সময়ে আমি মুক্তিযোদ্ধাদের বড় একটি দল নিয়ে ফরিদপুর শহরে প্রবেশের পথে বাচ্চু রাজাকারের বাহিনীর বাধার সম্মুখীন হয়েছিলাম, যদিও তাদের পরাস্ত্র করে আমরা শহরে ঢুকে পড়ি। ’৭১ সালের আনুমানিক ২ মে পাকবাহিনী ফরিদপুরের হাসামদিয়া ও ময়েনদিয়া গ্রামে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালায়। এ সময় তাদের প্রধান দোসর হিসেবে বাচ্চু রাজাকার তাদের সঙ্গে ছিল এবং সে নিজে চারজন নিরীহ গ্রামবাসীকে হাত বাঁধা অবস্থায় গুলি করে হত্যা করে। <a href="http://taiyabs.com/2009/04/9483/">[[৫]]</a></p>
<p>১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকার প্রত্যক্ষদর্শী জেলা বোয়ালমারীর কালিনগরের <strong>মুক্তিযোদ্ধা মো. ইদ্রিস ফকির</strong> জানান, ’৭১ সালে জুলাই মাসের শেষদিকে বাচ্চু রাজাকারের (আবুল কালাম আজাদ) নেতৃত্বে বোয়ালমারী ডহরনগর এলাকার বাবুবাড়ীর সুধাংশ বাবু ও তার পরিবারের সদস্যদের গুলি চালিয়ে হত্যা এবং তাদের বাড়ি লুটপাট করে। তিনি বলেন, সেদিন তারা (আবুল কালাম আজাদ) বাবুবাড়ীতে হত্যাকা- চালিয়ে ডহরনগর এলাকার সাব-রেজিস্ট্রার অখিল চন্দ্রের বাড়িতে গিয়ে জীবন চক্রবর্তীকে ধরে এনে রূপাপাত বাজারের হারান সাহার দোকানের সামনে গুলি চালিয়ে হত্যা করে। <a href="http://www.priyoaustralia.com.au/readers-link/43406.html">[[৬]]</a></p>
<p><strong>মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম আবু ইউসুফ সিদ্দিকী</strong> জানান, আমি পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়ে ফরিদপুর স্টেডিয়ামের পাশে বন্দিশিবিরে আটকা পড়ি। তিনি বলেন, আমি দেখেছি বাচ্চু রাজাকার জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ এনে পাক সেনাদের হাতে তুলে দিতো। তিনি জানান, বাচ্চু পাক দোসরদের সঙ্গে বন্দিশিবিরের আটককৃতদের নির্যাতন করতো। আমি একদিন বাচ্চুর এ কাজের প্রতিবাদ করলে সে আমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন চালায়।</p>
<p><strong>ফরিদপুরের মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার আবুল ফয়েজ শাহনেওয়াজ</strong> জানান, বাচ্চু রাজাকার জেলার নগরকান্দা, সালথা ও বোয়ালমারী অঞ্চলে রাজাকার আলবদর বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিল। সে (বাচ্চু) মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে এনে পাক সেনাদের হাতে তুলে দিতো।</p>
<p><strong>ফরিদপুর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট শামসুল হক ভোলা মাস্টার</strong> জানান, ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বরের পর দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে পালিয়েছিল বাচ্চু রাজাকার। তিনি বলেন, রাজাকার আবুল কালাম আজাদ দেশ স্বাধীনের পর যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে দীর্ঘদিন হাজতবাস করেছে।</p>
<p><strong>মুক্তিযুদ্ধকালীন নগরকান্দা এলাকার কমান্ডার আলতাফ হোসেন জানান</strong>, ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাজাকার বাচ্চু পাকিস্তানি হানাদারদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করে। সে এলাকায় সশস্ত্র রাজাকার বাহিনী গড়ে তুলে ফরিদপুর, নগরকান্দা ও বোয়ালমারীতে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালায়। তার বাহিনীকে এলাকার মানুষ ‘খাড়দিয়ার মিরিটারি’ নামে চিনতেন।’ তিনি আরো বলেন,‘৭১ সালে আমি মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ৩ বার তাকে ধরার জন্য হানা দেই। কিন্তু রাজাকার বাচ্চু তার শ্বশুর চাঁন কাজীর বাড়িতে পালিয়ে যাওয়ায় প্রতিবারই জানে বেঁচে যায়।’</p>
<p>১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে মুক্তিযুদ্ধে চুড়ান্ত বিজয় অর্জিত হবার পরএলাকা থেকে পালিয়ে যান বাচ্চু। আবু সাঈদ খান প্রণীত ‘মুক্তিযুদ্ধে ফরিদপুর’ গ্রন্থের ১৬৯-১৭০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানায় ’৭২ সালে দালাল আইনে যে মামলা হয়েছিল তার নম্বর-১৯ ও ২০, তারিখ ২৩/৩/৭২, ধারা। এই মামলার কারণে পরবর্তীতে তাকে গ্রেফতার করে হাজতে ঢোকানো হয়। কিন্তু পঁচাত্তর পরবর্তী রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে জেল থেকে ছাড়া পান বাচ্চু। জেল থেকে বের হয়ে তিনি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ নাম নিয়ে নতুন জীবন শুরু করেন। স্বাধীনতার সময় লুট করা কোটি টাকার সম্পদ দিয়ে ধীরে ধীরে প্রভাব বিস্তার শুরু করেন তিনি। আগের বাহিনীর সদস্যের জমা করে শুরু হয় স্বাধীন দেশে বাচ্চুর নতুন তান্ডব। ততদিনে বিশিষ্ট মাওলানা হয়ে যাওয়া বাচ্চুর একাত্তরের কুকীর্তি প্রচার করতে যেয়ে খুন হন, ফরিপুরের যুবলীগ নেতা ছিরু মিয়া। আদালতে তার (বাচ্চু) নামে হত্যা মামলা দায়ের করা হলেও, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে জামিন পেয়ে যান তিনি। <a href="http://media.somewhereinblog.net/images/omipialblog_1191090345_2-MAKA1_b.jpg">[[৭]]</a></p>
<p>উল্লেখ্য, ২০০০ সালে সাংবাদিক প্রবীর সিকদার দৈনিক জনকণ্ঠে বাচ্চুসহ ফরিদপুর অঞ্চলের রাজাকারদের নিয়ে ‘তুই রাজাকার’ শীর্ষক প্রামাণ্য সিরিজ প্রতিবেদন করায় (<a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/omipialblog/28734445">মূল প্রতিবেদনের স্ক্যানড কপি</a>) তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্র, গুলি ও বোমা হামলা চালানো হয়। এ হামলার পেছনে তখন কুখ্যাত রাজাকার নূলা মুসা ও বাচ্চুর ইন্ধনের অভিযোগ ওঠে। চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণকারী বর্তমানে দৈনিক সমকালের সিনিয়র সহ সম্পাদক প্রবীর সিকদার এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ বাচ্চু যে কুখ্যাত রাজাকার ছিল এটা সবাই জানেন। তার রাজাকারির প্রমাণপত্র সবই আছে। তাছাড়া আমি প্রতিবেদন করেছিলাম আট বছর আগে। সে সময়তো সে কোনো প্রতিবাদ জানায়নি। এতোদিন পরে এ ধরনের দম্ভোক্তি ও বিষোদগার গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পরিবারের সন্তান ও দেশের নাগরিক হিসাবে আমি সারাজীবন তার ও যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি চেয়ে যাবো।’ <a href="http://www.news-bangla.com/index.php?option=com_content&amp;task=view&amp;id=1087">[[৮]]</a></p>
<p>বেসরকারী টিভি ব্যক্তিত্ব ও ইসলামের সেবক হিসেবে নিজেকে জাহির করা বাচ্চু ওরফে মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, ২০ শে সেপ্টেম্বর ২০০৮ সালে বেসরকারী এক টিভি চ্যানেলে তিনি রাজাকার ছিলেন না বলে দম্ভোক্তি করেন। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিক প্রবীর সিকদারসহ কয়েকজন সংবাদিকের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে তাদের নিয়ে কটুক্তি করেন।</p>
<p>এই বক্তব্য টিভিতে প্রচারিত হবার পর, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ফরিদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান খোকন এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘খাড়দিয়ার বাচ্চু এখন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ সেজে টিভিতে যেসব কথা বলছে তা হাস্যকর। ফরিদপুরের সর্বস্তরের মানুষ জানেন, ৭১ সালে সে রাজাকার ছিল। সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে বিলম্ব করাতে এসব মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ব্যক্তি এতো বড়ো বড়ো কথা বলার সাহস পাচ্ছে। এই বাচ্চু একাত্তর সালে তার নিজ এলাকা ও ফরিদপুর শহরে পাকিস্তানি সেনাদের সহায়তায় নারীদের ধরে এনে নির্যাতন চালাতো। ফরিদপুর শহরের দুটি হিন্দু বাড়ি দখল করে সেখানে নির্যাতন ক্যাম্প বসিয়েছিল এই কুখ্যাত রাজাকার। লুটের টাকা দিয়ে সে ঢাকার মিরপুরের ২নং পুলিশ ফাঁড়ির সামনে একটি বাড়িও কিনেছে। তাকে ধরে আইনের আওতায় এনে পুরো জাতির সামনে বিচার করতে হবে। সাংবাদিক প্রবীর সিকদারসহ অন্যান্য সাংবাদিকদের ব্যাপারে সে যেসব কটুক্তি করেছে তার জন্য তাকে প্রকাশ্যে নি:শর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। নইলে আমরা তার শাস্তির দাবিতে আন্দোলনে নামবো।’</p>
<p>সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন খবর এবং বর্তমানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের গন দাবী ওঠায় দেশ ছেড়ে কয়েকদিন আগে আমেরিকা চলে যান বাচ্চু। এনটিভি বাচ্চুকে বাদ দেয় তাদের অনুষ্ঠান থেকে। আমেরিকা চলে গেলেও কুকর্ম করা ছাড়েন নি মাওলানা। ২৫ জানুয়ারী২০০৯ সন্ধ্যায় জ্যামাইকার একটি মসজিদে তহবিল সংগ্রহের নামে মৌলবাদীদের তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা রাখার সময় প্রতিবাদ জানায় এবিসিডিআই সহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সংগঠনসমূহ। এই সময় বিক্ষোভকারীদের অশালীন ভাষায় (মা-বোনসূচক) গালাগালি করা হয়।এবং পরে প্রতিবাদী সমাবেশের উপর কুখ্যাত রাজাকার বাচ্চু ও ৭১&#8217;এর ঘাতক রাজাকার আশরাফুজ্জামানের প্ররোচনায় জনৈক মকবুল হোসেন জহির ছুরি নিয়ে হামলা করে। মুখঅবয়বে ঘুষি ও ছুরি দিয়ে আঘাত করে বিশিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা ও যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিকলীগ সভাপতি এম,আর,আমিনকে মারাত্মকভাবে আহত হন। পরে নিউইয়র্ক পুলিশ এসে হামলাকরী জহিরকে গ্রেফতার করে এবং তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠান বাতিল করে দেয়।<a href="http://somoy10.amarblog.com/posts/36547"> [[৯]]</a> (<a href="http://www.khabor.com/news/prabash/prabasher_news_01272009_0000003.htm">মূল খবরের লিংকটি এখন আর কাজ করছেনা</a>)</p>
<p><strong>শেষকথা</strong></p>
<p>এংলো আমেরিকান রাজনীতিবিদ ও দার্শনিক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Thomas_Paine">থমাস পাইন</a> যিনি তার লেখার মাধ্যমে আমেরিকান ও ফরাসী বিল্পবকে প্রভাবিত করেছেন, বাইবেল সম্পর্কে করা এক মন্তব্যে বলেন, বাইবেল এমন একটি গ্রন্থ যা পৃথিবীর অন্যান্য সকল বইয়ের চেয়ে বেশি পড়া হলেও পরীক্ষিত হয়েছে সবচেয়ে কম। মাওলানা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া শেষে আমার এই কথাটাই আবার মনে পড়লো। আসলেই আমরা একটু খোঁজ নেবার আগেই সব বিশ্বাস করে বসে থাকি, সবাইকে গুরু মানা শুরু করি। বড় বেশি বৃত্তাধীন আমরা &#8230;</p>
<p>* <a href="http://www.cadetcollegeblog.com/raihanabir/17006" target="_blank">সিসিবির লিংক</a></p>
<p>*<a href="http://www.nirmaaan.com/blog/raihanabir/5641"> মুক্তাঙ্গন নির্মান ব্লগের লিংক</a></p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/nirbaan.wordpress.com/9/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/nirbaan.wordpress.com/9/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/nirbaan.wordpress.com/9/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/nirbaan.wordpress.com/9/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/nirbaan.wordpress.com/9/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/nirbaan.wordpress.com/9/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/nirbaan.wordpress.com/9/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/nirbaan.wordpress.com/9/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/nirbaan.wordpress.com/9/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/nirbaan.wordpress.com/9/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/nirbaan.wordpress.com/9/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/nirbaan.wordpress.com/9/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/nirbaan.wordpress.com/9/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/nirbaan.wordpress.com/9/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=9&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/14/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://1.gravatar.com/avatar/51b943fc8d75b033c488b5b3c4d7d219?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">রায়হান আবীর</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://taiyabs.files.wordpress.com/2009/04/abul-kalam-azad.jpg" medium="image">
			<media:title type="html">মাওলানা আবুল কালাম আজাদ</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://photos-g.ak.fbcdn.net/photos-ak-snc1/v3778/143/78/510284120/n510284120_1764733_7066086.jpg" medium="image" />
	</item>
		<item>
		<title>কুরআনের সাংখ্যিক মাহাত্ম্যঃ &#8220;ভিন্নমত&#8221;</title>
		<link>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/14/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae/</link>
		<comments>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/14/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 14 Dec 2009 16:05:31 +0000</pubDate>
		<dc:creator>raihan abir</dc:creator>
				<category><![CDATA[ধর্ম ও বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[অপবিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[অলৌকিক ঊনিশ]]></category>
		<category><![CDATA[কুরআন]]></category>
		<category><![CDATA[মিরাকল নাইন্টিন]]></category>
		<category><![CDATA[রাশাদ খলিফা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://nirbaan.wordpress.com/?p=7</guid>
		<description><![CDATA[১ আমি ধর্ম পালন না করলেও ধর্ম নিয়ে আমার আগ্রহ রয়েছে। তাই টিভিতে যখন আব্বু-আম্মু নিবিষ্ট মনে ডঃ জাকির নায়েকের বক্তৃতা শুনে তখন কাজ না থাকলে আমিও সোফায় যেয়ে বসি। বোঝার চেষ্টা করি তিনি কী বলতে চান। তেমনি ধর্ম নিয়ে লেখা বইও পড়ি। কয়েকবছর আগে বিখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ আহমদ দিদাদ এর লেখা “কুরআন ও বিজ্ঞান” [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=7&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size:xx-large;"> ১</span></p>
<p>আমি ধর্ম পালন না করলেও ধর্ম নিয়ে আমার আগ্রহ রয়েছে। তাই টিভিতে যখন আব্বু-আম্মু নিবিষ্ট মনে ডঃ জাকির নায়েকের বক্তৃতা শুনে তখন কাজ না থাকলে আমিও সোফায় যেয়ে বসি। বোঝার চেষ্টা করি তিনি কী বলতে চান। তেমনি ধর্ম নিয়ে লেখা বইও পড়ি। কয়েকবছর আগে বিখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ আহমদ দিদাদ এর লেখা “কুরআন ও বিজ্ঞান” নামে একটা বই দেখলাম কাটাবনের মসজিদের নীচে মার্কেটটায়। কিনে নিয়ে আসলাম। সেই বইয়ে নানা ভাবে কুরআনকে স্বর্গীয় কিংবা আলৌকিক প্রমানের জন্য বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ের সাথে মিল দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তার মধ্যে একটি ছিল, উনিশ সংখ্যা দ্বারা আল্লাহ যে কুরআনকে বেঁধে দিয়েছিলেন তার প্রমান। আল্লাহতায়ালা বাঁধলেও সর্বসমক্ষে এই মিরাকলের ব্যাপারটি প্রথম তুলে ধরেন <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Rashad_Khalifa">ডক্টর রাশাদ খালিফা</a>।<span id="more-7"></span></p>
<p>পুরো ব্যাপারটি যে কোন মানুষকে আকৃষ্ট করবে। যিনি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী তিনি প্রমানটি দেখে তৃপ্তির ঢেকুর তুলবেন- জিনিসটা মাথায় রাখার চেষ্টা করবেন, ক্ষেত্র বিশেষে কোন সংশয়বাদীর সাথে তর্কে লিপ্ত হলে তলোয়ার হিসেবে ব্যবহার করবেন। আর যিনি অবিশ্বাসী তিনিও সামান্য দ্বন্দ্বে পড়ে যাবেন।</p>
<p>আপনারা যারা এই মিরাকল সম্পর্কে জানেন না- তারা উইকিতে আমার লেখা <a href="http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%8E%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF">এই নিবন্ধটি</a> পড়ে দেখতে পারেন। পড়ে দেখতে পারেন ব্লগার মাহমুদুল আলমের <a href="http://www.cadetcollegeblog.com/thinkpositively/1726">এই লেখার শেষ অংশটুকু</a>।</p>
<p><span style="font-size:xx-large;"> ২</span></p>
<p><strong>আসলেই কী কুরআনে সাংখ্যিক মাহাত্ম্য (মিরাকল অফ ১৯) বিদ্যমানঃ-</strong></p>
<p>স্পষ্ট উত্তর হচ্ছে- না। ডক্টর খলিফা বেশকিছু ছলনার আশ্রয় নিয়েছেন। এই লেখায় বেশকিছু উদাহরণ এবং গঠনমূলক আলোচনায় তা দেখানো হবে।</p>
<p>মূলত পৃথিবীর যেকোন বিষয়েই একটি গানিতিক মিরাকল বের করা সম্ভব (প্রবন্ধের নীচের অংশে উদাহরণ দ্রষ্টব্য)। সেটি গণিতবিদদের দ্বারা সমর্থিত না হলেও মানুষকে আনন্দ কিংবা ধাঁধায় ফেলার জন্য যথেষ্ট।</p>
<p>ধরুন একটি সমুদ্র সৈকত। আপনি একটি নিক্তি নিলেন- এবং সমুদ্র সৈকতের একটি একটি করে বালুর ওজন মাপা শুরু করলেন। যেসব বালুর ওজন হচ্ছে এক গ্রাম সেটিকে আপনি থলেতে ভরে রাখলেন। যেগুলো না সেগুলো ফেলে দিলেন। আরও ধরি আপনার হাতে অফুরন্ত সময় রয়েছে এবং এই অফুরত্ন সময় আপনি শুধু বালুর ওজন মাপবেন এবং এক গ্রামের ওজনের বালু আলাদা করবেন। তাহলে দীর্ঘসময় পর আপনি বেশ বড় একটি বালুর স্যাম্পল জোগাড় করতে পারবেন যাদের প্রত্যেকের ওজন এক গ্রাম করে। এখন যদি আপনি ঘোষণা দেন যে, এই সমুদ্র সৈকতটি একটি মিরাকল এবং এর প্রত্যেকটি বালু কণার ওজন এক গ্রাম তাহলে কী তা যুক্তি সংগত হবে? হবে না।</p>
<p>কারণ গণিত আমাদের বলে, এই সৈকতে প্রতিটি বালুকণার ওজন এক গ্রাম- এই শর্ত আরোপ করার আগে আপনাকে শতকরা কতভাগ বালুর ওজন এক গ্রাম তা নির্ণয় করতে হবে। যদি শতকরা মান ৯০- ৯৯% হয় তাহলে আমরা সেই শর্ত সঠিক বলে ধরে নিতে পারি।</p>
<p>শতকরা= এক গ্রাম ওজন এমন বালুর সংখ্যা/ পরীক্ষণীয় মোট বালুর সংখ্যা (যে বালু আপনি ফেলে দিয়েছেন+ যে বালু আপনি রেখেছেন) * ১০০</p>
<p>আপনার পরীক্ষায় একবস্তা বালুর বিপরীতে কমপক্ষে এক হাজার বস্তা বালু আপনি বাদ দিয়েছেন (কারণ তাদের ওজন এক গ্রাম নয়)। সুতরাং আপনার শতকরা মান হবে খুব কম। অর্থাৎ মিরাকলটি সত্যি নয়।</p>
<p>ডক্টর খালিফা ঠিক এই কাজটি করেছেন। কিভাবে?</p>
<p>তিনি বলেছেন কুরআনকে আল্লাহ ঊনিশ দ্বারা আটকে দিয়েছেন। তিনি বেশ কিছু উদাহরণ দিয়েছেন। যেমন,</p>
<p>‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’-এ মোট বর্ণ ১৯।<br />
সর্বপ্রথম নাযিলকৃত ৫টি আয়াতে (সূরা আলাক) মোট শব্দ সংখ্যা ১৯, তাতে মোট বর্ণ ৭৬ (যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য)।<br />
সর্বপ্রথম নাযিলকৃত পূর্ণাংগ সুরার (সুরা আলাক) আয়াত সংখ্যা ১৯।<br />
সর্বশেষ নাযিলকৃত সুরায় (সুরা নসর) শব্দ সংখ্যা ১৯।<br />
সর্বশেষ নাযিলকৃত আয়াতে (সুরা নসর-১) অক্ষর সংখ্যা ১৯।<br />
পুরো কুরআনে ‘কুরআন’ শব্দটি এসেছে ৫৭ বার (যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য)।<br />
কুরআনের সর্বমোট সুরার সংখ্যা ১১৪ (যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য)।<br />
কুরআনের সর্বমোট আয়াত সখ্যা ৬৩৪৬ (যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য)।</p>
<p>তাহলে ডক্টর খালিফার চালাকিটা কোথায় হল? বের করা খুব সহজ।</p>
<p>যেকোন বই থেকেই আপনি “বিশেষ কিছু অংশ”/অপশন বাছাই করতে পারেন। তারপর যেই যেই অপশন আপনার মিরাকল প্রমানে কাজে লাগবে তা রেখে (ধরুন সাত দ্বারা বিভাজ্য) বাকিগুলো ফেলে দিতে পারেন। কুরআনের ক্ষেত্রে যেমন, একটি শব্দের অক্ষর সংখ্যা, চ্যাপ্টারের সংখ্যা, নির্দিষ্ট একটি শব্দ সর্বোমোট কতবার ব্যবহৃত হয়েছে সেই সংখ্যা ইত্যাদি- ইত্যাদি গ্রহন করা হয়েছে। ঠিক তেমনি ভাবে আপনি চাইলে অন্য একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা, বিজোড় সুরার সংখ্যা, জোড় চ্যাপ্টারের সংখ্যা, বিজোড় চ্যাপ্টারে অতটি অক্ষর রয়েছে- জোড়টিতে কতটি রয়েছে ইত্যাদি নিতে পারেন। অর্থাৎ আপনি মাথা খাটিয়ে অসীম সংখ্যক অপশন/”বিশেষ অংশ” বাছাই করতে পারেন। ডক্টর খালিফা তাই করেছেন। অসংখ্য অপশন থেকে তিনি উনিশ দ্বারা বিভাজ্য প্রমান করা যায় এমন অপশনগুলো গ্রহণ করেছেন- বাকিগুলো ফেলে দিয়েছেন। কিন্তু কুরআনে যদি আসলেই ঊনিশের মিরাকল থেকে থাকে তাহলে তা সব কিছুতেই থাকবে- শুধু মাত্র কয়েকটি জিনিসে নয়।</p>
<p>তারপরও কথা থেকে যায়। উনি তো অনেক কিছুই মেলাতে সক্ষম হয়েছেন। সেগুলো কী আসলেই মিলেছে? সেগুলো কি আসলেই ঊনিশ দ্বারা বিভাজ্য? চলুন দেখি পরবর্তী আলোচনায়।</p>
<p><span style="font-size:xx-large;">৩</span></p>
<p>এই অংশে, প্রমানিত শর্তগুলোও অনেক ক্ষেত্রে সঠিক নয় তা দেখানো হবে। সেক্ষেত্রে আমরা ব্যবচ্ছেদের জন্য একটি নিয়েই আলোচনা করবো।</p>
<p>ডক্টর রাশেদ খলিফা বলেন,</p>
<blockquote><p>“The key to Muhammad’s perpetual miracle is found in the very first verse of the Qur’an, `IN THE NAME OF GOD, MOST GRACIOUS, MOST MERCIFUL = BiSM ALLaH, AL-RaHMaN, AL-RaHIM’…</p></blockquote>
<blockquote><p>মুহাম্মদের বলে যাওয়া- কুরআন যে একটি মিরাকল তার সন্ধান লাভ করা যায়, কুরআনের সর্ব প্রথম আয়াতেই। IN THE NAME OF GOD, MOST GRACIOUS, MOST MERCIFUL = BiSM ALLaH, AL-RaHMaN, AL-RaHIM’…</p></blockquote>
<p>এই প্রথম আয়াতের অক্ষর গণনা করে (ইংরেজীতে শুধু মাত্র বড় হাতের অক্ষর) আমরা দেখতে পাই যে, এখানে ঊনিশটি অক্ষর রয়েছে। এবং এতে যে শব্দগুলো রয়েছে সেগুলো প্রত্যেকটি ঊনিশের গুনিতক। যেমন প্রথম অক্ষর, `ISM’ ঊনিশ বার; দ্বিতীয় শব্দ, `ALLaH’ ২৬৯৮ বার, যা ১৯ এর গুনিতক (১৯X১৪২) ; তৃতীয় শব্দ , `AL-RaHMaN ‘ আছে ৫৭ বার, (১৯ X ৩); সর্বশেষ শব্দ , `AL-RaHIM’ আছে ১১৪ বার (১৯ X ৬)”</p>
<p>ডঃ খালিফা দাবী করেছেন, কুরআনের এই অলৌকিকত্বে মানুষের কোন হাত নেই। অথচ, “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” বাক্যে যে ১৯টি বর্ণ আছে, এই মৌলিক দাবীতেই মানুষের হাত আছে। আরবি বাক্যটিকে ইংরেজিতে প্রতিবর্ণীকরণ করার সময় আমরা যদি স্বরবর্ণ বাদ দেই, তাহলে বাক্যটি এরকম দাঁড়ায়: “BSM ALLH ALRHMN ALRHIM”, উল্লেখ্য আরবীতে স্বরবর্ণগুলো লেখা হয় না, পড়ার সময় ধরে নেয়া হয়। এই প্রতিবর্ণীকৃত বাক্যে বর্ণের সংখ্যা ১৯। কিন্তু, আরবিতে “তাশদিদ” বলে একটি প্রতীক আছে, কোন বর্ণের উপর সে প্রতীক থাকলে তা দুই বার উচ্চারণ করতে হয়। “ALLAH” শব্দের দ্বিতীয় “L” এর উপর একটি তাশদিদ আছে। সেক্ষেত্রে এই লাম দুইবার উচ্চারণ করে এভাবে লেখা যেত (বা এভাবে লেখা উচিত): “ALLLAH”; আর বর্ণ সংখ্যা হয়ে যেত ২০টি।</p>
<p>তাশদিদ যুক্ত বর্ণ দুইবার ধরা হয়েছে নাকি একবার ধরা হয়েছে, সে বিষয়টি ডঃ খালিফা কোথাও স্পষ্ট করে বলেননি। এছাড়া যে স্বরবর্ণগুলো লেখা হয় না, কিন্তু পড়ার সময় ধরা হয় সেগুলো অন্তর্ভুক্ত করা বা বাদ দেয়ার ব্যাপারটাও তিনি স্পষ্ট করেননি।</p>
<p>পরবর্তী সমস্যা “BISM” শব্দ নিয়ে। এটি প্রকৃতপক্ষে দুটি শব্দের সমন্বয়: “Bi” (এক্ষেত্রে এই শব্দের অর্থ “মধ্যে”) এবং “ISM” (অর্থ “নাম”)।</p>
<p>ডঃ খালিফা সবসময় আরবি বর্ণক্রম ব্যবহারের কথা বলেছেন। এই আরবি বর্ণক্রম ব্যবহার করে “ISM” শব্দটির অনুসন্ধান করা যেতে পারে। আবদুল বাকি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত কুরআনের একটি নির্ঘণ্ট ঘেটে এই আশ্চর্যজনক তথ্য পাওয়া গেছে:</p>
<p>“BiSM” শব্দটি কুরআনের প্রথম আয়াতেই আছে। এই শব্দটি কুরআনের মাত্র তিনটি স্থানে উল্লেখিত হয়েছে: ১:১১, ১১:৪১ এবং ২৭:৩০।</p>
<p>কিন্তু বিচ্ছিন্নভাবে কেবল “ISM” শব্দটি কুরআনে মোট ১৯ বার উল্লেখিত হয়েছে।</p>
<p>কিন্তু তৃতীয় আরেকটি তালিকা আছে। “ISMuHu” শব্দের অর্থ “তার নাম”। এটি আরবিতে একটি অখণ্ড শব্দ হিসেবে লেখা হয়। কুরআনে এটি ৫ বার এসেছে।</p>
<p>সবগুলো ফলাফল যোগ করলে পাওয়া যায়: ৩ + ১৯ + ৫ = ২৭, স্পষ্টতই এখানে ১৯ এর সাংখ্যিক তাৎপর্য আর থাকছে না।</p>
<p>আমাদের সামনে আরও অনেকগুলো অনুমানের ব্যাপার আছে, যেগুলো সম্বন্ধে ডঃ খালিফা কোন ব্যাখ্যা দেননি। কোন বিবেচনায় তিনি তিনবার উল্লেখিত “BiSM” শব্দটি গণনা থেকে বাদ দিয়েছেন? যে শব্দ নিয়ে গবেষণা করছিলেন সেই শব্দটিই বাদ দেয়ার পিছনে কোন যুক্তিই দেখাননি। আর কেবল বিচ্ছিন্ন “ISM” শব্দ গণনার ব্যাপারেই বা তিনি কোন নীতি অনুসরণ করেছেন? সর্বনামযুক্ত বিশেষ্য “ISMuHu” কেই বা কেন বাদ দিলেন?</p>
<p>তাহলে কি এই তিন ধরণের শব্দের অর্থের মধ্যে কোন ব্যাখ্যা লুকিয়ে আছে? হয়ত বা, যেসব স্থানে এই শব্দগুলোর মাধ্যমে কেবল আল্লাহ্‌র নাম বোঝানো হয়েছে সেগুলোকেই ডঃ খালিফা গণনা করেছেন। কিন্তু নিম্নোক্ত দুটি আয়াতের দিকে লক্ষ্য করলে এই ধারণাও ভুল বলে প্রমাণিত হয়। সূরা মায়িদার ৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে,<br />
“…but pronounce God’s name (ISM ALLaH) over it…”<br />
এবং সূরা বাক্বারার ১১৪ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে,<br />
“And who is more unjust than he who forbids in places for the worship of God, that His name (ISMuHu) should be pronounced?”</p>
<p>মূল আরবি বা ইংরেজি অনুবাদ কোনটিতেই এই শব্দগুলোর মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই, একটি ছাড়া: এখানে “God’s name” সরাসরি বিধেয় এবং “His name” উদ্দেশ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। আরবি বর্ণক্রমেএই শব্দ দুটির লেখ্য রূপের ভিত্তিতেই কেবল দুটিকে ভিন্ন স্থানে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।</p>
<p>আরও কথা আছে, কিসের ভিত্তিতেই বা ডঃ খালিফা এই শব্দগুলোর বহুবচন রূপগুলো বাদ দিলেন? এগুলোর বহুবচন কুরআনে আরও ১২ বার এসেছে। বিশেষত সূরা আ’রাফের ১৮০ নম্বর আয়াতের কথা উল্লেখ করা যায়, “The most beautiful names belong to God…”</p>
<p>বহুবচন বাদ দেয়ার কেবল একটি কারণই থাকতে পারে। সেটি হচ্ছে, বহুবচনগুলো গণনা করলে মোট সংখ্যাটি ১৯ না হয়ে ৩৯ হয়ে যায়।</p>
<p>উপরন্তু ALLAH শব্দটির ব্যবহারের ধরণের ব্যাপারেও সন্দেহ আছে। এই শব্দের সাথে যখন “Li” প্রসর্গ যুক্ত হয় তখন দুইয়ে মিলে “LiLaH”বা “LiLLah” শব্দের জন্ম দেয়। এখানে প্রসর্গটির অর্থ “প্রতি”। এই লিল্লাহ শব্দেও একটি লাম এর উপর তাশদিদ আছে। (উদাহরণ হিসেবে ২:২২ আয়াতটি দেখা যেতে পারে।) ব্যকরণ অনুসারে এই প্রসর্গযুক্ত শব্দটি ঠিক “BiSM” এর মত করেই ব্যবহৃত হয়। পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা বলতে পারি ডঃ খালিফা এবার প্রসর্গযুক্ত শব্দগুলো বাদ দিয়ে কেবল মূল শব্দটিই গণনা করবেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। এবার ঠিকই “LiLaH” গুলো গণনা করেছেন, কারণ এগুলো গণনা না করলে মোট সংখ্যাটা ২৬৯৮ হত না এবং তা ১৯ দিয়েও বিভাজ্য হত না। এ ধরণের যাদৃচ্ছিক ব্যবহারের পেছনে কি আদৌ কোন যুক্তি আছে?</p>
<p>“ISM” এর সাথে “Bi” যুক্ত হয়ে যখন “BiSM” হয়েছে তখন ডঃ খালিফা সেটা বাদ দিয়েছেন, কিন্তু “ALLAH”-র সাথে “Li” যুক্ত হয়ে যখন “LiLaH” হয়েছে তখন তিনি সেগুলো ঠিকই গণনা করেছেন; কেবল ১৯ দিয়ে বিভাজ্য একটি সংখ্যায় পৌঁছানোর জন্য।</p>
<p>AL-RaHMaN শব্দের ক্ষেত্রে কোন দ্বিধা নেই। এটি কুরআনে ৫৭ (১৯ X ৩) বারই উল্লেখিত হয়েছে। লেখকও এমনটিই বলেছেন।</p>
<p>এবার AL-RaHIM শব্দের দিকে দৃষ্টি দেয়া যাক। ডঃ খালিফা বলেছেন, এই শব্দ মোট ১১৪ (৬ X ১৯) বার এসেছে। কিন্তু আবদুল-বাকির নির্ঘণ্ট অনুসারে কুরআনে এই শব্দটি হুবহু এই রূপে মাত্র ৩৪ বার উল্লেখিত হয়েছে। অর্থাৎ এই ৩৪ স্থানেই শব্দের আগে “AL” নামক ডেফিনিট আর্টিক্‌লটি আছে। কিন্তু বাকি ৮১ স্থানে শব্দের আগে কোন ডেফিনিট আর্টিক্‌ল নেই। এখন আর্টিক্‌ল সহ এবং ছাড়া সবগুলোই যদি আমরা গণনা করি, তাহলে মোট সংখ্যাটি দাঁড়ায় ১১৫। এক বার এর বহুবচনও উল্লেখিত হয়েছে। তাহলে মোট ১১৬ হয়ে যাচ্ছে। ১১৫ এবং ১১৬, কোনটিই ১৯ দ্বারা বিভাজ্য নয়।</p>
<p>ডঃ খালিফার এই আবিষ্কারকে অনেকেই সম্পূর্ণ অনুমোদন দিয়েছেন। ডঃ Bèchir Torki এ নিয়ে রীতিমত ৪ পৃষ্ঠার এক বিশাল সারাংশ রচনা করেছেন। এই সবগুলো অনুমোদন পত্র বা সারাংশতেও উপরে উল্লেখিত চারটি মৌলিক অনুমিতির ব্যাপার সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।</p>
<p>ডঃ খালিফা “ALLAH” শব্দে তাশদিদের কারণে দ্বিত্ব হয়ে যাওয়া লামগুলো গণনা থেকে বাদ দিয়েছেন, আবার অলিখিত স্বরবর্ণগুলোও বাদ দিয়েছেন।</p>
<p>তিনি “ISM” এর মোট সংখ্যা গণনা করতে গিয়ে “BiSM” শব্দটি সম্পূর্ণ এড়িয়ে গেছেন, কিন্তু ওদিকে আবার “ALLaH” শব্দ গণনা করতে গিয়ে “LiLaH” অন্তর্ভুক্ত করেছেন।</p>
<p>এছাড়াও তিনি তার গণনা থেকে “ISMuHu” বাদ দিয়েছেন, যদিও ব্যকরণগত দিক দিয়ে এটি হুবহু “ISM” এর মতোই অর্থ বহন করে।</p>
<p>এছাড়া তিনি “ISM” এবং “AL-RaHIM” শব্দের বহুবচন রূপগুলো বাদ দিয়েছেন।</p>
<p>উপরন্তু তার “AL-RaHIM” শব্দের গণনা ভুল হয়েছে।</p>
<p>সুতরাং মিরাকল প্রমানের জন্য খলিফা নিজের ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন- মিল করার জন্য। কিন্তু সে ব্যাপারে কোন ব্যাখ্যা প্রদান করেন নি। তার অন্যান্য সিদ্বান্তগুলোও ভুলে ভরা। সেগুলোও আলাদা করে প্রমান করা সম্ভব।</p>
<p><span style="font-size:xx-large;">৪</span></p>
<p><strong>এ ধরণের সংখ্যাতাত্ত্বিক খেলা বিজ্ঞানবহির্ভূতঃ-</strong></p>
<p>সংখ্যা নিয়ে এ ধরণের ধাঁধাময় খেলা অনেক প্রাচীন। সেই পিথাগোরাসের আমল থেকেই মানুষ এসব করে আসছে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞানের জন্ম হওয়ার পর অনেক কিছুর মত এটাকেও বিজ্ঞানের অঙ্গন থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করা হয়েছে। এই অপবিজ্ঞানের নাম দেয়া হয়েছে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Numerology">Numerology তথা সংখ্যাতত্ত্ব</a>। গণিত থেকে সংখ্যাতত্ত্ব সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে গেছে; যেমন জ্যোতির্বিজ্ঞান থেকে জ্যোতিষ শাস্ত্র আলাদা হয়েছে এবং রসায়ন থেকে আলকেমি আলাদা হয়েছে। সংখ্যাতত্ত্ব তাই একটি পরিপূর্ণ অপগণিত বা অপবিজ্ঞান। বিজ্ঞানের কুসংস্কারাচ্ছন্ন অপব্যবহারকেই অপবিজ্ঞান বলা হয়।</p>
<p><strong>গাণিতিক মিরাকলের আরও উদাহরণঃ-</strong></p>
<p>মূলত চাইলে কুরআনে সাত কিংবা অন্য যেকোন সংখ্যার মিরাকল বের করা সম্ভব। সম্ভব পৃথিবীর যেকোন কিছুতেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রে এমন একটি গাণিতিক ব্যাখ্যা বেশ জনপ্রিয়। বলা হয়ে থাকে- এই ঘোষণা পত্রের মাধ্যমে আমেরিকার ভবিষ্যতের সকল ঘটনা আগে থেকেই বলে দেওয়া সম্ভব। খুব রিসেন্টলি টুলের (Tool) একটা গানে (Lateralus) ফিবোনাক্কি সিরিজের সুন্দর প্রয়োগ আছে। সব রকম কবিতাতেই গণিতের খেলা দেখা যায়, সেই ঋগ্বেদ থেকে শুরু করে। পিকাসোর ছবিতে পাওয়া যায় ত্রিমাত্রিক জ্যামিতির খেলা। গস বা অয়লারের মত গণিতবিদের জীবনী পড়লে মানুষের গাণিতিক ক্ষমতায় আপনার আরো আস্থা বাড়বে।</p>
<p>আরেকটি উদাহরণ হতে পারে ইহুদিদের বিখ্যাত <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Shemhamphorash">শেমহামেফোরাস</a>। ইহুদি ধর্মবেত্তার সেই মধ্যযুগ থেকেই সংখ্যাতত্ত্ব নিয়ে মত্ত। সে সময়ই তারা তাদের ধর্মগ্রন্থ তোরাহ-র দ্বিতীয় গ্রন্থ এক্সোডাস থেকে স্রষ্টার রহস্যময় নাম বের করেছিল। এক্সোডাসের ১৪:১৯-২১, এই তিনটি আয়াতের মাধ্যমে তারা স্রষ্টার ৭২টি নাম উদ্ভাবন করেছে। এই প্রতিটি আয়াতে ৭২টি করে বর্ণ আছে।<br />
- প্রথমে প্রথম আয়াতটি ডান থেকে বামে লিখেছে<br />
- তারপর দ্বিতীয় আয়াত বাম থেকে ডানে লিখেছে<br />
- সবশেষে তৃতীয় আয়াত আবার ডান থেকে বামে লিখেছে<br />
- এই লেখার কাজটি ১৮ কলাম ও ১২ সারিতে করা হয়েছে। ১৮ গুন ১২ = ৭২ গুন ৩<br />
- এবার ১২ টি সারিকে ৩ সারি ৩ সারি করে ভাগ করেছে। মোট চারটি ভাগ হয়েছে যার প্রতিটিতে ১৮ কলাম ও ৩ সারি।<br />
- প্রতি ভাগের একটি কলাম দ্বারা স্রষ্টার একটি তিন অক্ষরের নাম পাওয়া গেছে। এভাবে মোট ১৮ গুন ৪ = ৭২ টি তিন অক্ষরের নাম পাওয়া গেছে।<br />
- চার ভাগের প্রতিটিতে আবার একটি বর্ণের সাথে মিলিয়েছে। এতে স্রষ্টার একটি চার অক্ষরের নাম পাওয়া গেছে।<br />
- এই যে চার অক্ষরের নাম তার সঠিক উচ্চারণ জানার চেষ্টা করছে তারা। এ নিয়েই তারা সংখ্যাতত্ত্বের খেলা খেলছে, এখনও। এই শব্দকে ডিজিটে নিলে নাকি ২১৬ ডিজিটের একটা নাম পাওয়া আছে। <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Pi_%28film%29">ড্যারেন আরনফ্‌স্কির “পাই” সিনেমায় </a>এই ২১৬ ডিজিটের সাথে পাই এর সম্পর্ক দেখানো হয়েছে।</p>
<p><span style="font-size:xx-large;">৫</span></p>
<p>কুরআন আসলেই অলৌকিক কিংবা স্বর্গীয় গ্রন্থ কীনা সেটা নিয়ে হাজার বছর ধরে আলোচনা হয়েছে- চলবে আরও হাজার বছর। কিন্তু কুরআনের অলৌকিকতা প্রমান করতে যেয়ে আমাদের ইসলামী চিন্তাবিদরা বিজ্ঞানের সাথে কুরআনকে মেলাবার চেষ্টা করছেন। বিজ্ঞান দ্বারা প্রমান করতে চাচ্ছেন- কুরআন মানব রচিত কোন গ্রন্থ নয়। তাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণেই হোক কিংবা অন্যকোন কারণেই হোক- সেই জিনিসগুলো কুরআনকে অলৌকিক প্রমান তো করছেই না, বরঞ্চ কতিপয় জ্ঞানপাপী মুক্তমনার কাছে সেটিকে একটা মজার খেলনা বানিয়ে ফেলছে। তাই বিশ্বাসকে যুক্তি দিয়ে প্রমান না করে শুধু বিশ্বাসই করা উচিত। তাতে করে কাউকে সুযোগ দেওয়া হবেনা, কুরআনকে হেলা করার।</p>
<p><a href="http://www.cadetcollegeblog.com/raihanabir/1816" target="_blank">** সিসিবিতে ভিন্নবিষয় নিয়ে ব্যাপক কাইজ্জা হয়েছে </a>।</p>
<p><a href="http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=2002" target="_blank">** মুক্তমনাতে এই পোস্ট দিয়েই আমার যাত্রা শুরু হয়েছে। অভিদা মেইল করে দিতে বলেছিলেন। তার লিংক</a> ।</p>
<p>** লেখাটি মুক্তমনা ই-বুক <a rel="nofollow" href="http://www.mukto-mona.com/project/Biggan_dhormo2008/index.htm" target="_blank">‘বিজ্ঞান ও ধর্ম – সংঘাত নাকি সমন্বয়?’</a> এর সপ্তম অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।</p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/nirbaan.wordpress.com/7/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/nirbaan.wordpress.com/7/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/nirbaan.wordpress.com/7/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/nirbaan.wordpress.com/7/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/nirbaan.wordpress.com/7/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/nirbaan.wordpress.com/7/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/nirbaan.wordpress.com/7/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/nirbaan.wordpress.com/7/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/nirbaan.wordpress.com/7/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/nirbaan.wordpress.com/7/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/nirbaan.wordpress.com/7/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/nirbaan.wordpress.com/7/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/nirbaan.wordpress.com/7/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/nirbaan.wordpress.com/7/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=7&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/14/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://1.gravatar.com/avatar/51b943fc8d75b033c488b5b3c4d7d219?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">রায়হান আবীর</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>ওয়াজ ডারউইন রং?</title>
		<link>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/14/%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%89%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a6%82/</link>
		<comments>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/14/%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%89%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a6%82/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 14 Dec 2009 15:56:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>raihan abir</dc:creator>
				<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[বিবর্তন]]></category>
		<category><![CDATA[ডারউইন]]></category>
		<category><![CDATA[বিবর্তনবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://nirbaan.wordpress.com/?p=5</guid>
		<description><![CDATA[সবার শুরুতেই মারাত্মক একটা ধন্যবাদ জানাতে হয় মহামতি, মহাজ্ঞানী জাকির নায়েককে। বিবর্তন সম্পর্কিত আমার অতিক্ষুদ্র জ্ঞানও অর্জন হতো না, যদি না তিনি চমৎকার একটি বক্তৃতা দিতেন। যাই হোক, ফাইজলামি বাদ দিয়ে আসল কথাই আসি। গত বই মেলা থেকে বন্যা আপার &#8220;বিবর্তনের পথ ধরে&#8221; বইটা কিনে মুহাম্মদ। বাংলাভাষায় আরও কয়েকটি বিবর্তন বিষয়ক বই আছে, সেগুলো পড়ি [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=5&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>সবার শুরুতেই মারাত্মক একটা ধন্যবাদ জানাতে হয় মহামতি, মহাজ্ঞানী জাকির নায়েককে। বিবর্তন সম্পর্কিত আমার অতিক্ষুদ্র জ্ঞানও অর্জন হতো না, যদি না তিনি চমৎকার একটি বক্তৃতা দিতেন।</p>
<p>যাই হোক, ফাইজলামি বাদ দিয়ে আসল কথাই আসি। গত বই মেলা থেকে বন্যা আপার &#8220;বিবর্তনের পথ ধরে&#8221; বইটা কিনে মুহাম্মদ। বাংলাভাষায় আরও কয়েকটি বিবর্তন বিষয়ক বই আছে, সেগুলো পড়ি নাই, খালি একটু নেড়েচেড়ে দেখা হয়েছে। তারপরও বলতে দ্বিধা নেই, বন্যা আপার বইটা সত্যিকার অর্থেই দারুন। প্রচুর বিষয় ধাপে ধাপে বর্ণনা করা হয়েছে বইটিতে। এই বইটি পড়েই বিবর্তন সম্পর্কে বেশ চমৎকার একটা ধারণা পেয়েছি আমি। এছাড়া মুক্তমনার সম্পাদক অভিজিৎ রায়ের বিবর্তন সম্পর্কিত অসংখ্য ব্লগ তো আছেই।<span id="more-5"></span></p>
<p>এভাবেই চলছিল। এর মাঝে বিডিয়ার ভাই চীন দেশ থেকে জ্ঞান বিতরণ শেষে ফিরে এসে কয়েকটা ডকুমেন্টারি ধরিয়ে দেন। যার মধ্যে একটা ছিল, ন্যাশনাল জিওগ্রাফীর &#8220;ওয়াজ ডারউইন রং&#8221;। পরীক্ষার মাঝখানে ডকুটা দেখে মারাত্মক উত্তেজিত হয়ে যাই। বিবর্তনের সাধারণ জিনিসগুলো এতো চমৎকারভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, এরপরও যদি কেউ না বুঝে তাহলে সত্যিকার অর্থেই তাকে &#8220;জাকির নায়েক&#8221; বলা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। ডকুটা দেখেই একটা সিদ্ধান্ত নেই, পরীক্ষা পরবর্তী ছুটিতে বিবর্তনের একদম সাধারণ জ্ঞান টাইপ একটা লেখা লিখবো। বৈজ্ঞানিক কচকচানি না, সহজ সরল ভাষায়।</p>
<p>প্রচুর প্ল্যান করলেও তা সফল হয় না। এইটা হয়েছিল। সিসিবিতে চার পর্বে ছেড়েছিলাম লেখাটা। প্রতিরাতে একটা পর্ব লিখতাম, আপলোড করেই ঘুমাতে যেতাম, পরেরদিন আরেকটা পর্ব। মানুষজনের ভালো ফিডব্যাক পাওয়া গিয়েছিল। তবে অনেকের অভিমত ছিল ধর্মের দিকে অযথা আঙ্গুল তোলা হয়েছে।</p>
<p>এইকারণে লেখাটা পরবর্তীতে আবার ঠিকঠাক করি। ধর্মের সাথে বিবর্তনের বিবাদ বহু পুরাতন, তাই আঙ্গুল না তুলে লেখা সম্ভব নয়। তবে যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। যেহেতু লেখাটার উদ্দেশ্য সাধারণকে বিবর্তন বোঝানো, মগজ ধোলাই না। ধর্ম সংক্রান্ত যাও আলোচনা এসেছে সেগুলো বাইবেলকে ঘিরেই।</p>
<p><a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/Raihan_abeer/biborton.pdf" target="_blank">ব্লগে প্রকাশিত সংস্করণটি পেতে এই লিংকে ক্লিক করুন</a>। এছাড়া আরও বিষয় সংযুক্ত করছি। খুব ইচ্ছে আছে বই মেলায় চটি বইয়ের আকারে লেখাটি প্রকাশ করতে। আজকার তো বড় বই দেখলেই আমরা দৌড়ে পালাই, আর বিবর্তন নিয়ে হলে তো কথাই নেই।</p>
<p>দুইজনকে বিশেষ কৃতজ্ঞতা। একজন সন্ন্যাসী দা। উনি ফরম্যাটিং, বানান ভুল সহ অসংখ্য বিষয়ে উপদেশ দিয়েছেন, বিভিন্ন তথ্য খুঁজে দিয়েছেন। আরেকজন অভিজিৎ রায়। বেশ কিছু প্যারা তাঁর লেখা থেকে অনুমতিক্রমে উদ্ধৃত করেছি সরাসরি।</p>
<p><strong>মন্তব্য দেখার জন্য ব্লগ লিংকঃ</strong></p>
<p><a href="http://www.cadetcollegeblog.com/raihanabir/13573" target="_blank">ওয়াজ ডারউইন রং- প্রথম পর্ব</a> (ক্যাডেট কলেজ ব্লগ)</p>
<p><a href="http://www.cadetcollegeblog.com/raihanabir/13594" target="_blank">ওয়াজ ডারউইন রং- দ্বিতীয় পর্ব</a> (ক্যাডেট কলেজ ব্লগ)</p>
<p><a href="http://www.cadetcollegeblog.com/raihanabir/13682" target="_blank">ওয়াজ ডারউইন রং-তৃতীয় পর্ব<br />
</a></p>
<p><a href="http://www.cadetcollegeblog.com/raihanabir/13713" target="_blank">ওয়াজ ডারউইন রং-শেষ পর্ব</a></p>
<p><a href="http://www.sachalayatan.com/raihan_abir/26901" target="_blank">সচলায়তনের ঘোষণা পোস্ট &#8211; </a></p>
<p><a href="http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=2289" target="_blank">মুক্তমনায় অখন্ড পোস্ট -</a></p>
<br />  <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/nirbaan.wordpress.com/5/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/nirbaan.wordpress.com/5/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/nirbaan.wordpress.com/5/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/nirbaan.wordpress.com/5/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/nirbaan.wordpress.com/5/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/nirbaan.wordpress.com/5/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/nirbaan.wordpress.com/5/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/nirbaan.wordpress.com/5/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/nirbaan.wordpress.com/5/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/nirbaan.wordpress.com/5/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/nirbaan.wordpress.com/5/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/nirbaan.wordpress.com/5/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/nirbaan.wordpress.com/5/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/nirbaan.wordpress.com/5/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=nirbaan.wordpress.com&amp;blog=10951730&amp;post=5&amp;subd=nirbaan&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://nirbaan.wordpress.com/2009/12/14/%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%89%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a6%82/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>2</slash:comments>
	
		<media:content url="http://1.gravatar.com/avatar/51b943fc8d75b033c488b5b3c4d7d219?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">রায়হান আবীর</media:title>
		</media:content>
	</item>
	</channel>
</rss>
